Breking News

সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন । আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন।বিজ্ঞপ্তি: জরুরী সংবাদকর্মী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চলিতেছে…। আপনি কি কম খরচে Website, Bloggersite, Youtube channel, E-commica site তৈরি করতে চান? যোগাযোগ করুন বিস্তারিত : মোবাইল: 01712475454,01940103713 , দেশ - বিদেশের খবর সবার আগে জানতে সাথে থাকুন।আমাদের সংঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ এ রকম আরও ভিডিও/ সর্বশেষ সংবাদ Update News পেতে আমাদের Website /Youtube Channel পেইজে লাইক দিন৷ ❤️ ✌ ✔️ কোন মতামত বা প্রশ্ন থাকলে কমোন্ট করে জানান ।

Sunday, March 29, 2020

কেন মানুষ মুখে হাত দেয়

কেন মানুষ মুখে হাত দেয়
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে এত এত সাবধানবাণী ও সতর্কবার্তা প্রচারের পরও কেন অনেকেই তা মানছে না। চোখে, মুখে ও নাকে হাত দিলে করোনাভাইরাস সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। বাসায় বা রাস্তায় যেখানেই থাকবেন বা যাবেন, এসব পরামর্শ যে বেশির ভাগ মানুষ মানছে না দেখা যাবে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা শুধু বাংলাদেশের বা কোনো নির্দিষ্ট দেশের মানুষের স্বভাব তা না। মানুষের মৌলিক যে কটি আচরণ আছে, তার মধ্যে কিছুক্ষণ পরপর মুখে হাত দেওয়া অন্যতম। কারণ, মানুষ ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে মায়ের পেটে থাকা অবস্থায় কিছুক্ষণ পরপর মুখে চোখে হাত দেয়। অতি প্রাচীনকাল থেকে মানুষ ও অন্য বড় প্রাণীরাও পোকামাকড় থেকে রক্ষা পেতে মুখে হাত দেওয়া শুরু করে। এমনকি বিষণ্ন হলে, রাগ করলে, বিস্ময় প্রকাশ করার সময় মানুষ মুখে হাত দেয়।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মেরি লাউস ম্যাকলিউস ২০১২ সালে মানুষের মুখে হাত দেওয়া নিয়ে একটি গবেষণা করে। তাতে দেখা যায় মানুষ গড়ে ২৩ বার মুখে হাত দেয়। আরেক দল গবেষক যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন শহরের একটি সাবওয়েতে সাধারণ মানুষের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে। তাদের অজান্তে করা ওই পর্যবেক্ষণে দেখা গেল, একেকজন মানুষ গড়ে তিনবারের বেশি মুখে হাত দিচ্ছে।


কিন্তু করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার এই সময়ে তো এসব পরামর্শ মানতে হবে। তাই গবেষক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা চোখেমুখে হাত দেওয়া বন্ধে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। শুধু করোনাভাইরাসই নয়, অন্যান্য ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াও মুখে হাত দেওয়ার মধ্য দিয়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে এই জরুরি পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকার জন্য ও নিজের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য মুখে-নাকে ও চোখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে প্রথম পরামর্শ হিসেবে বসে বা শুয়ে থাকার সময় দুই হাতের আঙুল মুষ্টিবদ্ধ করে রাখা। মুষ্টিবদ্ধ থাকা অবস্থাতেই কথা বলা বা হাঁটা-চলার চেষ্টা করা। এ ধরনের অবস্থায় অনেক সময় হাতের মুষ্টি ছুটে যেতে পারে। ফলে কিছুক্ষণ পরপর দুই হাত নাড়ানো। দুই হাত ছেড়ে দিয়ে কিছুক্ষণ পর আবারও মুষ্টিবদ্ধ করে রাখা।

দ্বিতীয় পরামর্শ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা চোখে চশমা দেওয়ার কথা বলছেন। এতে চোখে আঙুল চলে গেলেও বাধা আসবে। সারা দিন চোখে চশমা পড়ার অভ্যাস করলে চোখে হাত দেওয়ার অভ্যাস ধারাবাহিকভাবে কমে আসবে। তৃতীয় পরামর্শ হিসেবে মুখে মাস্ক ব্যবহার করার কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে হাতে থেকে ভাইরাস মুখের মধ্যে প্রবেশ করবে না।

Thursday, March 26, 2020

খুলনায় জ্বর–শ্বাসকষ্ট নিয়ে রোগীর মৃত্যু, লাশ রেখে পালিয়েছে স্বজনরা

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত এক পুরুষ (৪৫) রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি খুলনা নগরীর হেলাতলা এলাকায়। তার শরীরে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. এ টি এম মঞ্জুর মোর্শেদ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ওই রোগী মারা যায়। এ ঘটনার পর তার স্বজনরা লাশটি রেখে পালিয়ে যান। 
হাসপাতালের পরিচালক ডা. এ টি এম মঞ্জুর মোর্শেদ জানান, ওই রোগীর জ্বর ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ার পর চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা সংক্রান্ত পূর্ববর্তী তথ্য নেন। 
এই সময় জানা যায়, এই হাসপাতালে আসার আগে ওই রোগী ঢাকার একটি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। একই আইসিইউতে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্ত একজন রোগী মারা গিয়েছিল। কিন্তু ওই রোগী এখানে ভর্তির সময় সেই তথ্য গোপন করেন। এতে ঝুঁকির মুখে পড়েছেন সবাই। 
হাসপাতালের পরিচালক বলেন, ওই রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া ১৫-২০ জন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। 

Wednesday, March 25, 2020

ছাপা সংবাদপত্র থেকে করোনাভাইরাস ছড়ানোর ঘটনা শূন্য: আর্ল জে. উইলকিনসন

বিশ্বের সেরা চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীদের মতে, ছাপা সংবাদপত্র, সাময়িকী, ছাপা চিঠি কিংবা ছাপা প্যাকেট থেকে কভিড-১৯ করোনাভাইরাস ছড়ানোর ঘটনা শূন্য।
আন্তর্জাতিক নিউজ মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন (ইনমা) এর নির্বাহী পরিচালক ও সিইও আর্ল জে. উইলকিনসন ২৩ মার্চ এক ব্লগ পোস্টে দীর্ঘ একটি নিবন্ধ লিখেছেন। Zero incidents of COVID-19 transmission from print surfaces শিরোনামের সেই নিবন্ধে তিনি এ তথ্য জানান। বিশ্বের ৭০টির বেশি সেরা নিউজ মিডিয়া কোম্পানির হাজারের বেশি নির্বাহীর সমন্বয়ে গঠিত ইনমা।
প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক তার নিবন্ধে আরও লিখেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইনমার কাছে সংবাদপত্র থেকে করোনাভাইরাস ছড়ানোর বিষয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন পেয়েছে। এমন প্রশ্নের জবাবে এ বিষয়ে আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রদত্ত নির্দেশনা উল্লেখ করেছি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের ওয়েবসাইটে করোনাভাইরাস সম্পর্কিত নির্দেশনায় জানিয়েছে, ছাপা প্যাকেট বা এ জাতীয় দ্রব্য থেকে করোনাভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা খুবই কম, নেই বললেই চলে। 
বিডি প্রতিদিন

কোথায় আছেন এবং কেমন আছেন দেশের ধনীরা?💵

আসলেই খুব জানতে ইচ্ছে করছে🤔🤔🤔
কোথায় আছেন এবং কেমন আছেন দেশের ধনীরা?💵
আসুন একটু মানবতার জন্য হলেও এদেরকে ভাইরাল করি।

Tuesday, March 24, 2020

আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১০ জন চিকিৎসকসহ কোয়ারেন্টিনে থাকবেন।

 আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১০ জন চিকিৎসকসহ পুরো আইসিইউ ইউনিট আজ থেকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন।

শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে একজন রোগী আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেলের ইমার্জেন্সী বিভাগে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে প্রথমে কেবিনে ভর্তি থাকলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরবর্তীতে তাকে আইসিইউ তে স্থানান্তর করা হয়। পরে করোনা পজিটিভ প্রমাণিত হওয়ায় ১০ জন ডাক্তারসহ পুরো আইসিইউ ইউনিট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদের মধ্যে ২জন ডাক্তারের অবস্থার অবনতি হয়েছে।
উল্লেখ্য, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ডেলটা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ এর পর এবার আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক কোয়ারেন্টিনে গেলেন। এর মধ্যে ডেলটা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন ডাক্তার করোনায় আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন।

‘আমি আমার মাকে যে কারণে বিয়ে করলাম’

‘আমি আমার মাকে যে কারণে বিয়ে করলাম’

এই প্রেমের গল্পের অনেক মোড়, অনেক উত্থান পতন। যার কেন্দ্রে রয়েছেন সমকামী যুগল ফিলিস আরভিং ও লিলিয়ান ফেডারম্যান।

পরিবার টিকিয়ে রাখতে ফিলিস দত্তক নিয়েছিলেন লিলিয়ানকে। ১৯৭১ সালের দিকে যখন নারী অধিকার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটেছিল, তখন ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করতেন লিলিয়ান ফেডারম্যান।
একটি নতুন বিভাগ তৈরি করার ব্যাপারে তিনি যোগাযোগ করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিষয়ক পরিচালক ফিলিস আরভিং-এর সাথে। তাদের প্রেমের গল্পের সেখান থেকেই শুরু।
আর সেই গল্পের মেয়াদ কয়েক দশকের মতো। যে গল্পে রয়েছে বিভ্রান্তিকর কিছু পরিস্থিতি, যার ফলশ্রুতিতে নিজের সঙ্গিনীকে দত্তক নেয়া আবার তাকে বিয়ে করার মতো অদ্ভুত সব ঘটনা রয়েছে।
ভালবাসা ও গোপনীয়তা
তাদের যখন পরিচয় হয়, সেসময় সমকামীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র খুব কঠিন একটি জায়গা।
বিবিসির আউটলুক অনুষ্ঠানকে লিলিয়ান বলছিলেন, "সেসময় দেশের যেকোনো প্রান্তে আমাদের অপরাধী মনে করা হতো। বেশিরভাগ সমকামীরা খুব গোপনীয়তা বজায় রাখতো।"
সেসময় সরাসরি কেউ বলতো না যে তারা সমকামী। সেসময় আমরা জানতাম আমাদের মুখ বন্ধ রাখতে হবে। আমরা নীরবে যে যার জীবন কাটাতাম।"
কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকর্মীরা ধীরে ধীরে আঁচ করছিলেন যে কিছু একটা চলছে। লিলিয়ান বলছিলেন, "ওরা আমাদেরকে ডাকতো 'ফিলিয়ান' ও 'লিলিস', কারণ আমরা সবসময় একসাথে থাকতাম।"
"আমি যখন লেসবিয়ান সম্পর্কের ইতিহাস নিয়ে একটি বই লিখলাম তখন সবাই বুঝে নিয়েছিল যে আমরা দুজনে আসলে যুগল ছিলাম।"

এক পর্যায়ে এই যুগল পরিবারের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সংসার বাধার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু সেই যুগে বিষয়টি আইনগত দিক থেকে অসম্ভব ব্যাপার ছিল। দুজনে সেময় নিজেদের জন্য একটি অদ্ভুত সমাধান খুঁজে বের করলেন।
একত্রে বসবাসের জন্য চল্লিশের কোঠায় থাকা ফিলিস তার তিরিশের কোঠায় থাকা প্রেমিকা লিলিয়ানকে নিজের মেয়ে হিসেবে কাগজে কলমে দত্তক নেন। কিন্তু যখন ২০০৮ সালে ক্যালিফোর্নিয়াতে সমকামীদের বিয়ে বৈধ হল তখন তারা বিয়েও করলেন।
যার ফলে মা মেয়ে হয়ে উঠলেন বিবাহিত দম্পতি। লিলিয়ান হেসে বলছিলেন, "আমার মনে হয় পৃথিবীর অন্য যেকোনো দম্পতির তুলনায় আমাদের আইনি বন্ধন অনেক বেশি।"

মাতৃত্ব ও বিয়ে
১৯৭৪ সালে এই প্রেমিক যুগল সিদ্ধান্ত নিলেন যে তারা সন্তান নেবেন। ফিলিসের চেয়ে লিলিয়ান বয়সে এগারো বছর ছোট ছিলেন। তারা দুজনে শরণাপন্ন হলেন গর্ভাশয়ে কৃত্রিম উপায়ে বীর্য প্রতিস্থাপনে সহায়তা করে এমন একটি ক্লিনিকের।
সেসময় বিষয়টি খুবই নতুন কিছু ছিল আর বিবাহিত না হলেতো কথাই নেই। তবে লিলিয়ান চিকিৎসককে বিষয়টি বোঝাতে সমর্থ হয়েছিলেন। তিনি বলছিলেন, "ডাক্তার আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন আমি যদি বাচ্চাই নিতে চাই তাহলে বিয়ে করিনি কেন।"
"আমার উত্তর ছিল, আমার বয়স ৩৪। আমার ডক্টরেট ডিগ্রি রয়েছে। আমি ইতিমধ্যেই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট। আমার মতো মেয়েদের ব্যাপারে পুরুষরা কিছুটা দ্বিধায় ভোগে।"
এরপর চিকিৎসক কৃত্রিম উপায়ে তার গর্ভে বীর্য স্থাপন করেন এবং তাতে সফল হন।
দুই থেকে তিন
১৯৭৫ সালে লিলিয়ান এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। যার নাম রাখা হয় এভ্রম। খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই জুটি উপলব্ধি করেন তারা আইনের মারপ্যাঁচে কিভাবে আটকে যাবেন।
"সেসময় আমাদের মধ্যে কোন আইনি বন্ধন ছিল না। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল যদি এভ্রম কোন কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ে, আর আমি না থাকলে তাকে যদি ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হয় ফিলিসকে, তাহলে কোনভাবেই সে বৈধ অভিভাবক হিসেবে বিবেচিত হবে না।"

আরও উদ্বেগ তৈরি হল যদি লিলিয়ান মারা যান, ফিলিস আইনত এভ্রমের অভিভাবকত্ব পাবেন না।
সেসময় একই লিঙ্গের দুই ব্যক্তি আইনত শিশু দত্তক নিতে পারতেন না অথবা কৃত্রিম উপায়ে সন্তান নেয়াও তাদের জন্য নিষিদ্ধ ছিল।
তাই এভ্রমকে দত্তক নেয়ারও কোন উপায় ছিল না।
যেভাবে তারা মা মেয়ে হলেন
দুজনে আবার সমাধান খুঁজতে লাগলেন। সেসময় ক্যালিফোর্নিয়ায় এক আইনের আওতায় প্রাপ্তবয়স্ক কোন ব্যক্তির সাথে আরেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির যদি দশ বছর বয়সের তফাৎ থাকে তাহলে বয়স্কদের দত্তক বৈধ।
সেই সুযোগটা দুজনেই লুফে নিলেন এবং ফিলিস দত্তক নিলেন লিলিয়ানকে। যার ফলে ফিলিস আইনত এভ্রমের নানী হলেন। ফিলিস বলছিলেন, "এভ্রমের সাথে আমার একটা আইনি সম্পর্ক তৈরি করতে এটাই আমার একমাত্র উপায় মনে হয়েছিল।"
কিন্তু এখন এই মা ও মেয়ে, যারা একইসাথে আবার প্রেমিক যুগল, তাহলে দেশটির আইন অনুযায়ী তারা অজাচার বা ঘনিষ্ঠ রক্তের সম্পর্ক রয়েছে এমন কারো সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করছেন। বিষয়টি নিয়ে সাক্ষাৎকারে ফিলিস কৌতুক করলেও লিলিয়ান সেটিকে একটু গম্ভীরভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন।
তিনি বলেছেন, "আমাদের কাছে বিষয়টা উদ্ভট ছিল না কারণ আমাদের একে অপরের প্রতি মা ও মেয়ের অনুভূতি ছিল না। পুরো জিনিসটাই আমরা করেছিলাম আইনত যাতে আমরা তিনজন একসাথে থাকতে পারি সে জন্যে।"
"এভ্রমের যে যুগে জন্ম তখন কোন শিশুর দুটো মা ছিল না। আমাকে দত্তক নেয়া মানে সে ফিলিসকে তার বন্ধুদের কাছে নানী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিতে পারতো।", বলছিলেন লিলিয়ান।"
"বিষয়টা এভ্রমের জন্য সহজ ছিল। যদিও সে বুঝতে পারতো যে ফিলিস আসলে তার আরেকজন মা।"
"এভ্রম সব সময় তার আইনি নানীকে 'মামা ফিলিস' বলে সম্বোধন করতো। এখন তার বয়স ৪৫ বছর। সে এখনো ফিলিসকে একইভাবে সম্বোধন করে।"
যেভাবে মায়ের সাথে হয়ে গেল মেয়ের বিয়ে
২০০৮ সালে দুজনের তখন অনেক বয়স, সেসময় ক্যালিফোর্নিয়ায় সম-লিঙ্গের বিয়ে বৈধ ঘোষণা করা হল। কোন কিছু চিন্তা না করেই যেদিন এই আইন পাশ হল তার পরের দিনই বিয়ে করে ফেললেন ফিলিস ও লিলিয়ান।
কিন্তু কাগজে কলমে তখনো তারা মা-মেয়ে। বিষয়টি অদ্ভুত থেকে অদ্ভুত হতে থাকলো, যেহেতু দত্তক সম্পর্কিত কাগজগুলো তখনও বহাল ছিল।
এরপর তারা বিস্ময়ের সাথে আবিষ্কার করলেন সেই কারণেই তাদের বিয়ে আসলে ক্যালিফোর্নিয়ার আইন অনুযায়ী অকার্যকর। এমন অবস্থায় তারা কিছুই করতে পারছিলেন না। আসল মা-মেয়ে না হলেও দত্তকের কারণে অজাচারের অভিযোগে তারা বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন।
২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সকল অঙ্গরাজ্যে সম-লিঙ্গের বিয়ে বৈধ করা হল। সেসময় একজন আইনজীবী পরামর্শ দিয়েছিলেন দত্তকের কাগজপত্র বাতিল করে আরেক বার বিয়ে করতে। সেক্ষেত্রে তাদের বিয়ে এবার বৈধ হবে, তাদের তিনজনের সম্পর্কের একটি আইনি ভিত থাকবে।
ঘটনার এখানেই শেষ নয়


প্রেম বা সম্পর্ক অনেক সময় আজীবন টেকে না। তেমনি ফিলিস ও লিলিয়ানের প্রেমেরও একপর্যায়ে সমাপ্তি হল। কিন্তু এভ্রমের কী হবে? 'মামা ফিলিস' সেক্ষেত্রে আইনত আর তার নানীও থাকছেন না কারণ দত্তকের কাগজ বাতিল করা হয়েছে।
ফিলিস ও লিলিয়ানের বিচ্ছেদের কারণে তার সাথে শুধু মা লিলিয়ানের আইনি সম্পর্ক রইল। এমন এক পর্যায়ে এসে এভ্রম ফিলিসকে অনুরোধ করলেন তাকে ছেলে হিসেবে দত্তক নিতে।
তার ইচ্ছে পূরণ করেছেন ফিলিস। দত্তক অনুষ্ঠানে এভ্রম এসেছিলেন তার নিজের স্ত্রী ও পুত্র সন্তানকে নিয়ে। ফিলিস বলছিলেন, "খুব অসাধারণ একটা বিষয় ছিল আমার জন্য। আমি যে শিশুকে গর্ভে থাকাকালীন রোজ রাতে গান শুনিয়েছি, যার মল-মূত্র পরিষ্কার করেছি, সে চেয়েছে আমি তার বৈধ মা হই।"
কয়েক দশক জুড়ে নানা উত্থান পতনের মধ্যে দিয়ে যাওয়া এই পরিবারটি তাদের আইনি বৈধতা ও সম্পর্কে টিকিয়ে রাখল। ২০০৩ সালে নিজের আত্মজীবনীমূলক 'নেকেড ইন দ্যা প্রমিসড ল্যান্ড' বইয়ে লিলিয়ান ফেডারম্যান সেই গল্পই লিখেছেন।
তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ

‘আমি আমার মাকে যে কারণে বিয়ে করলাম’

এই প্রেমের গল্পের অনেক মোড়, অনেক উত্থান পতন। যার কেন্দ্রে রয়েছেন সমকামী যুগল ফিলিস আরভিং ও লিলিয়ান ফেডারম্যান।

পরিবার টিকিয়ে রাখতে ফিলিস দত্তক নিয়েছিলেন লিলিয়ানকে। ১৯৭১ সালের দিকে যখন নারী অধিকার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটেছিল, তখন ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করতেন লিলিয়ান ফেডারম্যান।
একটি নতুন বিভাগ তৈরি করার ব্যাপারে তিনি যোগাযোগ করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিষয়ক পরিচালক ফিলিস আরভিং-এর সাথে। তাদের প্রেমের গল্পের সেখান থেকেই শুরু।
আর সেই গল্পের মেয়াদ কয়েক দশকের মতো। যে গল্পে রয়েছে বিভ্রান্তিকর কিছু পরিস্থিতি, যার ফলশ্রুতিতে নিজের সঙ্গিনীকে দত্তক নেয়া আবার তাকে বিয়ে করার মতো অদ্ভুত সব ঘটনা রয়েছে।
ভালবাসা ও গোপনীয়তা

তাদের যখন পরিচয় হয়, সেসময় সমকামীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র খুব কঠিন একটি জায়গা।
বিবিসির আউটলুক অনুষ্ঠানকে লিলিয়ান বলছিলেন, "সেসময় দেশের যেকোনো প্রান্তে আমাদের অপরাধী মনে করা হতো। বেশিরভাগ সমকামীরা খুব গোপনীয়তা বজায় রাখতো।"
সেসময় সরাসরি কেউ বলতো না যে তারা সমকামী। সেসময় আমরা জানতাম আমাদের মুখ বন্ধ রাখতে হবে। আমরা নীরবে যে যার জীবন কাটাতাম।"
কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকর্মীরা ধীরে ধীরে আঁচ করছিলেন যে কিছু একটা চলছে। লিলিয়ান বলছিলেন, "ওরা আমাদেরকে ডাকতো 'ফিলিয়ান' ও 'লিলিস', কারণ আমরা সবসময় একসাথে থাকতাম।"
"আমি যখন লেসবিয়ান সম্পর্কের ইতিহাস নিয়ে একটি বই লিখলাম তখন সবাই বুঝে নিয়েছিল যে আমরা দুজনে আসলে যুগল ছিলাম।"

এক পর্যায়ে এই যুগল পরিবারের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সংসার বাধার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু সেই যুগে বিষয়টি আইনগত দিক থেকে অসম্ভব ব্যাপার ছিল। দুজনে সেময় নিজেদের জন্য একটি অদ্ভুত সমাধান খুঁজে বের করলেন।

একত্রে বসবাসের জন্য চল্লিশের কোঠায় থাকা ফিলিস তার তিরিশের কোঠায় থাকা প্রেমিকা লিলিয়ানকে নিজের মেয়ে হিসেবে কাগজে কলমে দত্তক নেন। কিন্তু যখন ২০০৮ সালে ক্যালিফোর্নিয়াতে সমকামীদের বিয়ে বৈধ হল তখন তারা বিয়েও করলেন।
যার ফলে মা মেয়ে হয়ে উঠলেন বিবাহিত দম্পতি। লিলিয়ান হেসে বলছিলেন, "আমার মনে হয় পৃথিবীর অন্য যেকোনো দম্পতির তুলনায় আমাদের আইনি বন্ধন অনেক বেশি।"


মাতৃত্ব ও বিয়ে
১৯৭৪ সালে এই প্রেমিক যুগল সিদ্ধান্ত নিলেন যে তারা সন্তান নেবেন। ফিলিসের চেয়ে লিলিয়ান বয়সে এগারো বছর ছোট ছিলেন। তারা দুজনে শরণাপন্ন হলেন গর্ভাশয়ে কৃত্রিম উপায়ে বীর্য প্রতিস্থাপনে সহায়তা করে এমন একটি ক্লিনিকের।
সেসময় বিষয়টি খুবই নতুন কিছু ছিল আর বিবাহিত না হলেতো কথাই নেই। তবে লিলিয়ান চিকিৎসককে বিষয়টি বোঝাতে সমর্থ হয়েছিলেন। তিনি বলছিলেন, "ডাক্তার আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন আমি যদি বাচ্চাই নিতে চাই তাহলে বিয়ে করিনি কেন।"
"আমার উত্তর ছিল, আমার বয়স ৩৪। আমার ডক্টরেট ডিগ্রি রয়েছে। আমি ইতিমধ্যেই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট। আমার মতো মেয়েদের ব্যাপারে পুরুষরা কিছুটা দ্বিধায় ভোগে।"
এরপর চিকিৎসক কৃত্রিম উপায়ে তার গর্ভে বীর্য স্থাপন করেন এবং তাতে সফল হন।
দুই থেকে তিন
১৯৭৫ সালে লিলিয়ান এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। যার নাম রাখা হয় এভ্রম। খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই জুটি উপলব্ধি করেন তারা আইনের মারপ্যাঁচে কিভাবে আটকে যাবেন।
"সেসময় আমাদের মধ্যে কোন আইনি বন্ধন ছিল না। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল যদি এভ্রম কোন কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ে, আর আমি না থাকলে তাকে যদি ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হয় ফিলিসকে, তাহলে কোনভাবেই সে বৈধ অভিভাবক হিসেবে বিবেচিত হবে না।"

আরও উদ্বেগ তৈরি হল যদি লিলিয়ান মারা যান, ফিলিস আইনত এভ্রমের অভিভাবকত্ব পাবেন না।
সেসময় একই লিঙ্গের দুই ব্যক্তি আইনত শিশু দত্তক নিতে পারতেন না অথবা কৃত্রিম উপায়ে সন্তান নেয়াও তাদের জন্য নিষিদ্ধ ছিল।
তাই এভ্রমকে দত্তক নেয়ারও কোন উপায় ছিল না।


যেভাবে তারা মা মেয়ে হলেন
দুজনে আবার সমাধান খুঁজতে লাগলেন। সেসময় ক্যালিফোর্নিয়ায় এক আইনের আওতায় প্রাপ্তবয়স্ক কোন ব্যক্তির সাথে আরেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির যদি দশ বছর বয়সের তফাৎ থাকে তাহলে বয়স্কদের দত্তক বৈধ।
সেই সুযোগটা দুজনেই লুফে নিলেন এবং ফিলিস দত্তক নিলেন লিলিয়ানকে। যার ফলে ফিলিস আইনত এভ্রমের নানী হলেন। ফিলিস বলছিলেন, "এভ্রমের সাথে আমার একটা আইনি সম্পর্ক তৈরি করতে এটাই আমার একমাত্র উপায় মনে হয়েছিল।"
কিন্তু এখন এই মা ও মেয়ে, যারা একইসাথে আবার প্রেমিক যুগল, তাহলে দেশটির আইন অনুযায়ী তারা অজাচার বা ঘনিষ্ঠ রক্তের সম্পর্ক রয়েছে এমন কারো সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করছেন। বিষয়টি নিয়ে সাক্ষাৎকারে ফিলিস কৌতুক করলেও লিলিয়ান সেটিকে একটু গম্ভীরভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন।
তিনি বলেছেন, "আমাদের কাছে বিষয়টা উদ্ভট ছিল না কারণ আমাদের একে অপরের প্রতি মা ও মেয়ের অনুভূতি ছিল না। পুরো জিনিসটাই আমরা করেছিলাম আইনত যাতে আমরা তিনজন একসাথে থাকতে পারি সে জন্যে।"
"এভ্রমের যে যুগে জন্ম তখন কোন শিশুর দুটো মা ছিল না। আমাকে দত্তক নেয়া মানে সে ফিলিসকে তার বন্ধুদের কাছে নানী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিতে পারতো।", বলছিলেন লিলিয়ান।"
"বিষয়টা এভ্রমের জন্য সহজ ছিল। যদিও সে বুঝতে পারতো যে ফিলিস আসলে তার আরেকজন মা।"
"এভ্রম সব সময় তার আইনি নানীকে 'মামা ফিলিস' বলে সম্বোধন করতো। এখন তার বয়স ৪৫ বছর। সে এখনো ফিলিসকে একইভাবে সম্বোধন করে।"
যেভাবে মায়ের সাথে হয়ে গেল মেয়ের বিয়ে
২০০৮ সালে দুজনের তখন অনেক বয়স, সেসময় ক্যালিফোর্নিয়ায় সম-লিঙ্গের বিয়ে বৈধ ঘোষণা করা হল। কোন কিছু চিন্তা না করেই যেদিন এই আইন পাশ হল তার পরের দিনই বিয়ে করে ফেললেন ফিলিস ও লিলিয়ান।
কিন্তু কাগজে কলমে তখনো তারা মা-মেয়ে। বিষয়টি অদ্ভুত থেকে অদ্ভুত হতে থাকলো, যেহেতু দত্তক সম্পর্কিত কাগজগুলো তখনও বহাল ছিল।
এরপর তারা বিস্ময়ের সাথে আবিষ্কার করলেন সেই কারণেই তাদের বিয়ে আসলে ক্যালিফোর্নিয়ার আইন অনুযায়ী অকার্যকর। এমন অবস্থায় তারা কিছুই করতে পারছিলেন না। আসল মা-মেয়ে না হলেও দত্তকের কারণে অজাচারের অভিযোগে তারা বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন।
২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সকল অঙ্গরাজ্যে সম-লিঙ্গের বিয়ে বৈধ করা হল। সেসময় একজন আইনজীবী পরামর্শ দিয়েছিলেন দত্তকের কাগজপত্র বাতিল করে আরেক বার বিয়ে করতে। সেক্ষেত্রে তাদের বিয়ে এবার বৈধ হবে, তাদের তিনজনের সম্পর্কের একটি আইনি ভিত থাকবে।
ঘটনার এখানেই শেষ নয়
প্রেম বা সম্পর্ক অনেক সময় আজীবন টেকে না। তেমনি ফিলিস ও লিলিয়ানের প্রেমেরও একপর্যায়ে সমাপ্তি হল। কিন্তু এভ্রমের কী হবে? 'মামা ফিলিস' সেক্ষেত্রে আইনত আর তার নানীও থাকছেন না কারণ দত্তকের কাগজ বাতিল করা হয়েছে।
ফিলিস ও লিলিয়ানের বিচ্ছেদের কারণে তার সাথে শুধু মা লিলিয়ানের আইনি সম্পর্ক রইল। এমন এক পর্যায়ে এসে এভ্রম ফিলিসকে অনুরোধ করলেন তাকে ছেলে হিসেবে দত্তক নিতে।
তার ইচ্ছে পূরণ করেছেন ফিলিস। দত্তক অনুষ্ঠানে এভ্রম এসেছিলেন তার নিজের স্ত্রী ও পুত্র সন্তানকে নিয়ে। ফিলিস বলছিলেন, "খুব অসাধারণ একটা বিষয় ছিল আমার জন্য। আমি যে শিশুকে গর্ভে থাকাকালীন রোজ রাতে গান শুনিয়েছি, যার মল-মূত্র পরিষ্কার করেছি, সে চেয়েছে আমি তার বৈধ মা হই।"
কয়েক দশক জুড়ে নানা উত্থান পতনের মধ্যে দিয়ে যাওয়া এই পরিবারটি তাদের আইনি বৈধতা ও সম্পর্কে টিকিয়ে রাখল। ২০০৩ সালে নিজের আত্মজীবনীমূলক 'নেকেড ইন দ্যা প্রমিসড ল্যান্ড' বইয়ে লিলিয়ান ফেডারম্যান সেই গল্পই লিখেছেন।
তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ

Monday, March 23, 2020

এইমাত্র বাংলাদেশের করোনায় আক্রান্ত এক বোনের হৃদয় বিদারক ফেইসবুক লাইভ ����

নির্দ্বিধায় ফোন করুন। ২৪ ঘন্টা ননস্টপ সার্ভিস দিতে পাশে আছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্ট। আমাদের ২৪/৭ হেলথ সার্ভিসের সাথে থাকুন।

সেনাবাহিনীর ২টি কোয়ারেন্টাইন ক্যাম্পের নাম্বার -
১। আশকোনা : ০১৭৬৯০১৩৪২০, ০১৭৬৯০১৩৩৫০
২। উত্তরা দিয়াবাড়ি: ০১৭৬৯০১৩০৯০, ০১৭৬৯০১৩০৬২
..
শেয়ার করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি । মানুষের উপকারে আসবে ।
 করোনায় সবাই ভয় পাচ্ছে।
আপনার ভয়ে আতংকে কান্না পাচ্ছে? হাত পা কাঁপছে, খারাপ লাগছে? আমরা আছি পাশে। এখানে ডক্টর আছে আপনার কথা শুনতে, সাহস দিতে।
নির্দ্বিধায় ফোন করুন। ২৪ ঘন্টা ননস্টপ সার্ভিস দিতে পাশে আছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্ট। আমাদের ২৪/৭ হেলথ সার্ভিসের সাথে থাকুন।
আমরা এই মুহুর্ত থেকে আমাদের হটলাইন নাম্বার গুলো ওপেন করে দিলাম।
২৪ ঘন্টা সার্ভিস -
1. Dr. Rehan Akhter
Contact:01687670413
2.Dr.Nazir Shah
Contact: 01303316018
3. Dr.Niloy Prosad
Contact: 01718452558
4.Md.Asaduzzaman Shuvo
Contact :01301880283
5.Dr. Mahbubur Rahman Rajib
Contact : 01533987914
6.Dr.Mohona Khondoker
Contact : 01953513108
7. Dr. Saifa Islam
Contact : 01883-581829
8.Dr. Atiya Rahman
Contact: 01772606470
9.Dr. Priyanka Mondal
Contact :01717020118
10.Dr. Sharmin haque prima.
Contact : 01795233354
11.Dr Shadman Sakib
Contact : 01675843987
12.Olia Mahjabin
Contact : 01796597198
13.Dr.Tanvir Rahman
Contact :01518-615052
14.Dr. Sadia Afrin
Contact: 01534301925
সকাল ৮ টা - রাত ১২ টা সার্ভিস
8 am-12 am
1. Dr. Zaara Rahman
Contact: 01757540162
2.Nawrin Jahan
Contact: 01873147497
3. Dr.Farjana yeasmin
Contact:01929422331
4. Dr. Refat parvez amy
Contact: 01841716131
5. Dr.Nusrat Nueri Raisa
Contact: 01856877748
6. Dr. Subhashree monigram Contact: 01401288202
7.Dr.Nigar sultana
Contact: 01972397197
8.Dr. Nafisa Rahman
Contact: ‭01627585100
9.Rasma Muzaffar
Contact: 01797287465
10.Dr hima
Contact:01611108566
11.Dr.Mahbub Alam
Contact: 01759800507
12.Dr. Farjana
Contact : 01534991865
আপনার প্রয়োজনে তাঁরা আপনার পাশে ২৪ ঘণ্টা

Sunday, March 22, 2020

রাজধানীর উত্তরায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীকে ভর্তি ও চিকিৎসা সেবা দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে স্থানীয়রা। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের বাধার মুখে পড়লে ভাঙচুর, হাতাহাতি ও হট্টগোল সৃষ্টি হয়। রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে র‌্যাব।জানা যায়, করোনা রোগী ভর্তি ও চিকিৎসা সেবা দেওয়ার প্রতিবাদে কয়েকশ মানুষ রাস্তায় অবস্থান নিয়ে মিছিল বের করে। পরে মিছিলটি উত্তরা পশ্চিম থানায় অবস্থিত একটি হাসপাতালে সামনে যায়। এ সময় মিছিলকারীরা মূল গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে হাসপাতালের কর্মীরা তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা তথা মিছিলকারীদের বাকবিতণ্ডার পর হাতাহাতি ও হট্টগোল বাধে। এ সময় মিছিলকারীরা হাসপাতাল ভাঙচুরের চেষ্টা চালায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।হাসপাতালের আশপাশের বাসিন্দারা মনে করছে, আবাসিক এলাকায় অবস্থিত ওই হাসপাতালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসা সেবা দিলে স্থানীয়রা ঝুঁকিতে পড়বেন।
খবর পেয়ে উত্তরা পশ্চিম থানা থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের সঙ্গেও মিছিলকারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং কল্যাণ সমিতির নেতাদের বাকবিতণ্ডা এবং পরে কয়েক দফা সংঘর্ষ ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে সংবাদকর্মীদের লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
পরে রাত সোয়া ৯টার দিকে ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ১১ নম্বর সেক্টর কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দর সঙ্গে হাসপাতালের ভেতর বৈঠক করেন। প্রায় আধাঘণ্টা ধরে চলা বৈঠক শেষে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাংবাদিকদেরকে বলেন, আমরা এখানে সেক্টরবাসীরা করোনা ভাইরাসের রোগীর ভর্তি কিংবা চিকিৎসা সেবা নিতে দিবো না। আমরা উত্তরা বাসিরা খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি। এবিষয়ে নিয়ে আমরা স্থানীয় প্রশাসন বৈঠক করেছি। বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনকে অবহিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তপন চন্দ্র সাহা জানান, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা করার জন্য সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ৫টি হাসপাতাল অনুমতি নিয়েছিল। এর মধ্যে এই হাসপাতাল রয়েছে। আমরা তাদের কাগজপত্র দেখেছি। আমরা হাসপাতাল বন্ধ করতে পারিনা। বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ব্যাপার। তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

Saturday, March 21, 2020

নিজেই পরীক্ষা করুন আপনি করোনা আক্রান্ত কি না!

দেশে এরই মধ্যে তিনজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। আক্রান্তদের দুইজন ইতালি ফেরত এবং একজন তাদের পরিবারের সদস্য। রোববার (৮ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর মহাখালীতে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (আইইডিসিআর) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানান।
দেশে করোনা রোগীর সন্ধানের খবরে ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তবে জন সাধারণকে আতঙ্কিত না হয়ে সাবধানে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।এখন সবার প্রশ্ন হল একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কি না তা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে? আপনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কি না তা নিজেই পরীক্ষা করতে পারবেন। এ সংক্রান্ত একটি লেখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছেন। এছাড়া লেখাটি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে।
ফেসবুকের ওই পোস্টে বলা হয়েছে, ‘সাধারণত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জ্বর বা কাশি নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার আগেই তার ফুসফুসের ৫০% ফাইব্রোসিস (সূক্ষ্ম অংশুসমূহের বৃদ্ধি) তৈরি হয়ে যায়, যার মানে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
তাইওয়ানের বিশেষজ্ঞরা কেউ আক্রান্ত হয়েছেন কিনা, সেটা নিজে নিজেই পরীক্ষা করার একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, যেটা কেউ প্রতিদিন সকালে উঠেই কয়েক সেকেন্ডে একবার পরীক্ষা করে নিশ্চিন্ত হতে পারেন। পরীক্ষাটা হলো;
পরিচ্ছন্ন পরিবেশে লম্বা একটা শ্বাস নিয়ে সেটাকে দশ সেকেন্ডের কিছুটা বেশি সময় ধরে আটকে রাখুন। যদি এই দম ধরে রাখার সময়ে আপনার কোনো কাশি না আসে, বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভব না হয়, মানে কোনো প্রকার অস্বস্তি না লাগে, তার মানে আপনার ফুসফুসে কোনো ফাইব্রোসিস তৈরি হয়নি অর্থাৎ কোনো ইনফেকশন হয়নি, আপনি সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত আছেন।জাপানের ডাক্তাররা আরেকটি অত্যন্ত ভালো উপদেশ দিয়েছেন যে, সবাই চেষ্টা করবেন যেন আপনার গলা ও মুখের ভেতরটা কখনো শুকনো না হয়ে যায়, ভেজা ভেজা থাকে। তাই প্রতি পনেরো মিনিট অন্তর একচুমুক হলেও পানি পান করুন।
কারণ, কোনোভাবে ভাইরাসটি আপনার মুখ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করলেও সেটি পানির সাথে পাকস্থলীতে চলে যাবে, আর পাকস্থলীর এসিড মুহূর্তেই সেই ভাইরাসকে মেরে ফেলবে।’
করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে ইউনিসেফের ৮ পরামর্শ
ভাইরাসটি বড় হলেও সেটিকে প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)। করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে সংগঠনটি আটটি পরামর্শ দিয়েছে। নিচে পরামর্শগুলো দেয়া হল।
১. করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে। মাস্ক ভাইরাসটিকে প্রতিরোধ করতে পারে। তাই মাস্ক ব্যবহার করুন।
২. করোনাভাইরাস মাটিতে অবস্থান করে, এটি বাতাসে ছড়ায় না। তবে সতর্ক থাকতে হবে।
৩. কোনো ধাতব তলে বা বস্তুতে করোনা পড়লে প্রায় ১২ ঘণ্টা জীবিত থাকতে পারে। তাই সাবান দিয়ে হাত ধুলেই যথেষ্ট হবে।
৪. করোনাভাইরাস কাপড়ে ৯ ঘণ্টা জীবিত থাকতে পারে। তাই কাপড় ধুয়ে রোদে দুই ঘণ্টা রাখলে ভাইরাসটি মারা যাবে।
৫. করোনাভাইরাস হাত বা ত্বকে ১০ মিনিটের মতো জীবিত থাকতে পারে। তাই অ্যালকোহল মিশ্রিত জীবাণুনাশক হাতে মেখে নিলে ভাইরাসটি মারা যাবে।
৬. গরম আবহাওয়ায় করোনাভাইরাস বাঁচে না। ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তাপমাত্রাই ভাইরাসটিকে মারতে পারে। কাজেই ভালো না লাগলেও বেশি বেশি গরম পানি পান করুন। আইসক্রিম থেকে দূরে থাকুন।
৭. লবণ মিশ্রিত গরম পানি দিয়ে গারগল করলে গলা পরিষ্কার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টনসিলের জীবাণুসহ করোনাভাইরাস দূর হবে। এছাড়া ফুসফুসে সংক্রমিত হবে না।
৮. করোনাভাইরাস প্রতিরোধে নাকে, মুখে আঙ্গুল বা হাত দেয়ার অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। কারণ, মানব শরীরে জীবাণু ঢোকার সদর দরজা হলো নাক-মুখ-চোখ।

ধর্ষকের জিব কামড়ে ছিঁড়ে ফেলেন গৃহবধূ

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ধর্ষণের চেষ্টাকালে ধর্ষকের জিহ্বায় কামড় দিয়ে নিজেকে রক্ষা করেছেন এক গৃহবধূ। এ ঘটনায় সাগরের এক ইঞ্চি জিব বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে তাঁকে রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় সিরাজদিখান থানায় বাদী হয়ে ধর্ষণ চেষ্টাকারীর বিরুদ্ধে মামলা করেন ওই গৃহবধূ।
জানা জানায়, ওই দিন ঘটনাস্থলে একটি বিয়ের আয়োজন চলছিল। সেখানে সাউন্ড বক্সে জোরে গান বাজছিল। রাত একটার দিকে ওই গৃহবধূ নিজের ঘরে যাচ্ছিলেন। এ সময় সাগর মণ্ডলও তাঁর ঘরে ঢুকে যান। তিনি গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। নারীটি চিৎকার দিলেও গানের শব্দের কারণে তাৎক্ষণিক কেউ বুঝতে পারেনি। এ সময় ওই নারী নিজেকে রক্ষা করতে সাগরের জিব কামড় দিয়ে এক ইঞ্চি কেটে বিচ্ছিন্ন করে দেন।ওই গৃহবধূ বলেন, তাঁর স্বামী বিদেশে থাকেন। সাগর এক বছর ধরে বিভিন্নভাবে তাঁকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও জানানো হয়। সোমবার রাতে তাঁকে জোর করে ধর্ষণের চেষ্টা করেন সাগর। নিজেকে রক্ষা করতে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেন তিনি। একপর্যায়ে সাগরের জিব কামড় দিয়ে কেটে ফেলেন তিনি।
উপজেলার ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ওই নারীর সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি পুলিশকেও জানানো হয়েছে। সাগরকে ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, তারা মিটফোর্ড হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছেন সেখানে সাগর নেই। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে একটি মামলা হচ্ছে।
 
 

আইসিইউ থেকে করোনা রোগীর ভিডিও বার্তায় ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

এক ভদ্রমহিলা আইসিইউ থেকে আজ একটি ভিডিও পাঠিয়েছেন দেশটি'র সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে। সে করোনায় আক্রান্ত। ভিডিওটা দেখে ভয়ে আমার শরীর এখনও কাঁপছে। বোধ করি তিনি ইংল্যান্ডের নাগরিক।
ওই ভিডিওটি'তে কথা বলতে'ই তার কষ্ট হচ্ছে। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। কিছুক্ষণ পর পর তিন কাশছেন। এরপরও তিনি ভিডিওটি করেছেন তার দেশের সাধারণ জনগণের জন্য। সেখানে তিনি বলেছেন-
কেউ যদি এখনও বাইরে ঘুরে বেড়ান কিংবা করোনাকে সিরিয়াসলি না নিয়ে থাকেন; তাহলে আমার দিকে তাকান। আমি এখন আইসিইউতে এবং আগের চাইতে ১০ গুণ ভালো আছি এখন। এতে'ই আমার এই অবস্থা। অক্সিজেন নেবার মেশিন ছাড়া আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না। আমার দুই হাতেই "ক্যানুলা।" আমার অবস্থা এখনও খুব একটা ভালো না (তার অবস্থা যে ভালো না, সেটা ভিডিও দেখলেই যে কেউ বুঝতে পারবেন)। এরপর তিনি বলেছেন -আমি আমার প্রিয়জনদের অনেকদিন দেখি না; জানি না কবে দেখতে পারবো। তবে আমি করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাবো। আপনারা যারা এখনও এটি'কে সিরিয়াসলি নিচ্ছেন না, তাদের সবার অবস্থা হবে আমার মতো। আপনারাও নিজদের এমন আইসিইউতে আবিষ্কার করবেন।
এই হচ্ছে ব্রিটিশ একজনের ভিডিও বার্তা।
দেখে বার বার মনে হচ্ছে- পৃথিবীর সব চাইতে উন্নত এবং ধনী রাষ্ট্রের মানুষ জনের যদি এই অবস্থা হয়, আমাদের বাংলাদেশের মানুষজনের কি অবস্থা হবে! অথচ এরা আজকেও ভোট আয়োজন করেছে। শুনলাম আজ নাকি রাজবাড়ী'তে করোনা নিয়ে মারামারি করে এক জন'কে মেরেও ফেলা হয়েছে! এখনও সময় আছে সতর্ক হন। সবাই বাসায় ঢুকে পড়ুন।
যারা ভাবছেন- আমাদের বয়েস কম, কিছুই হবে না। ভিডিওতে উনার বয়েস কি বেশি মনে হচ্ছে? অথচ সে এখন আইসিইউতে করোনা'র সাথে যুদ্ধ করছে। ভয় পাও বাঙালি। সতর্ক হও। (ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

Friday, March 20, 2020

যেসব লক্ষণে বুঝবেন কিডনিতে পাথর জমেছে

আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল বৃক্ক বা কিডনি। শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনির যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আর কিডনি ভাল রাখতে আমাদের কিছু নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা উচিৎ। 

আমাদের শরীরের রক্ত পরিশোধনের অঙ্গ কিডনি। শরীরে জমে থাকা অনেক রকম বর্জ্যও পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে। কিডনির নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কিডনিতে পাথর হওয়া। 
কিডনিতে পাথর জমার বা তৈরি হওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে কিছু কিছু বিষয় কিডনিতে পাথর তৈরির কারণ বলে বিবেচিত হয়। যেমন-
১। শরীরে পানির স্বল্পতা। কম পানি খাওয়া।
২। একাধিকবার কিডনিতে ইনফেকশন হওয়া এবং এর জন্য যথাযথ চিকিত্‍সার ব্যবস্থা না করা।
৩। অত্যাধিক পরিমাণে দুধ, পনির বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাস।
৪। শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রাতিরিক্ত আধিক্য।
কিডনিতে পাথর হওয়ার উপসর্গ-
১। রক্তবর্ণের প্রসাব।
২। বমি বমি ভাব। অনেক সময় বমিও হতে পারে।
৩। কোমরের পিছন দিকে ব্যথা হওয়া। এই ব্যথা তীব্র তবে সাধারণত খুব বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয় না। ব্যথা কিডনির অবস্থান থেকে তলপেটেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
Source: বিডি প্রতিদিন

'মৃদু করোনা সংক্রমণে প্রচুর বিশ্রাম, পানি পান, ব্যথা হলে ওষুধ'

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাস সংক্রমণকে বিশ্ব মহামারী হিসাবে ঘোষণা দিয়েছে। নভেল করোনাভাইরাসে বিশ্বে প্রায় লক্ষাধিক লোককে সংক্রমিত করেছে, প্রাণহানি ঘটিয়েছে ৪৩০০ জন লোকের। ১১৪টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে ঘটেছে এর বিস্তার।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্যানডেমিক বা বিশ্ব মহামারীকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন- "নতুন রোগের বিশ্বব্যপী বিস্তার"। রোগটির ভৌগলিক বিস্তার, রোগের গুরুতর প্রকৃতি, সমাজের উপর এর প্রভাব সব মিলিয়ে এটি নির্ধারণ করা হয়।
'প্যানডেমিক' শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "প্যান" আর "ডেমস" থেকে, যা নির্দেশ করে এটি বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আক্রমণ করেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেদ্রস আধানম ঘেব্রেয়েসুস বলেন, ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারী হলে ইতিমধ্যে বিশ্বে জনগোষ্ঠীতে তা ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ত, এর গতি ধীর করা বা নিয়ন্ত্রণে রাখা বা সংযত রাখা সম্ভব নয়। তবে কভিড-১৯-কে নিয়ন্ত্রণে রাখা আর সংযত রাখা বাস্তবায়নযোগ্য। ইতিমধ্যে একে বৈশ্বিক জরুরী স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ঘোষণা দেয়া হয়েছে। 
কভিড ১৯ এর নিরাময় নাই, এর জন্য টিকাও নাই। তবে আমেরিকার জাতীয় স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট বলেছে, টিকা বের হতে বছর খানেক লাগতে পারে। 
ভাল করে বার বার নিয়মিত হাত ধোয়া হল প্রতিরোধ ব্যবস্থা। মৃদু করোনা সংক্রমণের চিকিৎসা ফ্লুর মতো। প্রচুর বিশ্রাম, পানি পান, ব্যথা হলে ওষুধ। গুরুতর হলে হাসপাতালের যন্ত্রপাতির সাহায্য লাগে, শ্বাসকষ্ট বেশি হলে শ্বাসক্রিয়া চালু রাখার জন্য লাগতে পারে ভেনটিলেটার।

Thursday, March 19, 2020

আবিস্কারক কে এই ড. বিজন?


বিপদের মহামারীর দিনে মহাউপকারীর কাজ করেছেন তিনি। ১৭ কোটি মানুষের এই বাংলাদেশে যেখানে করোনা শনাক্ত কীট সংগ্রহ মাত্র হাজার দুয়েক। সেই দু:সময়ে তিনি আবির্ভুত হলেন দেবদূতের মত। মাত্র ২০০ টাকা খরচে করোনা শনাক্ত কীট আবিস্কার করলেন তিনি। তিনি একজন লোকসেবী । নাম ড. বিজন কুমার শীল। কে তিনি ! তা জানা গেল মাসুদুল হাসান রনির লেখায়। তিনি জানান,
আপনারা কে চিনেন বা জানেন ড. বিজন কুমার শীলকে? তিনি গণস্বাস্থ্যে কাজ করেন। তিনি ও তার দল সম্প্রতি দেশে গনস্বাস্থ্য কেন্দ্রের হয়ে করোনা ভাইরাস সনাক্তকরন কীট আবিস্কার করেছেন।
যে ভদ্রলোক এ কাজটা করেছে তার সাথে আমার এক চিকিৎসক বন্ধু দীর্ঘ ১৫ বছর কাজ করেছে। সে এককথায় অসাধারণ একজন মেধাবী মানুষ। দেশে যেখানে তিনি কাজ করতেন এক সময় উনাকে জামাত চক্র অফিস থেকে তাড়িয়ে দেয়।সেই সময় তিনি বাধ্য হয়ে দেশ ছেড়ে চলে যান সিংগাপুরে, জয়েন করেন সিংগাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষক হিসাবে। এরপর ঐ চাকরি ছেড়ে জয়েন করেন এমপি নামক একটা বায়োলজিকস আমেরিকান কোম্পানিতে, ওটার মালিক ছিলেন যুগোস্লাভিয়ার একজন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট।
এরপর নিজেই বায়োলজিক্যাল রিয়েজেন্ট তৈরি ও ব্যবসা শুরু করেন। সম্প্রতি তিনি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগ দেন মাইক্রোবায়োলজি ডিপার্টমেন্টে। সেখানে তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি মনযোগ দেন গবেষনায়।
দুর্ভাগ্য দেশের খ্যাতনামা মেফিক্যাল কলেজগুলো তাকে কাজে লাগায়নি।দুর্ভাগ্য আমাদের।
আজ এই অবহেলিত চিকিৎসক, গবেষক করোনাভাইরাস সনাক্তকরন কীট আবিস্কার করে দেশ ও জাতির কল্যানে এগিয়ে এসেছেন।
বিঃদ্রঃ উনার পুরো নাম ড. বিজন কুমার শীল, পিএইচ ডি (ইউনিভার্সিটি অব সারে, ইংল্যান্ড), ডিভিএম (ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট), এমএসসি (ফার্স্ট ক্লাশ ফার্স্ট) ইন ভাইরোলজি।
( তথ্যাটি সংগৃহীত: মাসুদুল হাসান রনির সৌজন্যে )
ডেলি স্টার বাংলা পরিবেশিত রবাব র রসাঁর লেখা এক প্রতিবেদনে তার সম্পর্কে আরও তথ্য জানা যায়।
ডেলি স্টার ঢাকা জানায়,
বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া নতুন করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ পরীক্ষার সহজ ও স্বল্পমূল্যের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বুধবার দ্য ডেইলি স্টার অনলাইনকে বলেন, ‘এটা সত্যি ঘটনা। এটা ভিন্ন পদ্ধতি। এর নাম হলো: র‌্যাপিড ডট ব্লট।’
ড. বিজন কুমার শীলের নেতৃত্বে ড. নিহাদ আদনান, ড. মোহাম্মদ রাশেদ জমিরউদ্দিন ও ড. ফিরোজ আহমেদ এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আরও বলেন, ‘ব্লাড গ্রুপ যে পদ্ধতিতে চিহ্নিত করা হয় এটা মোটামুটি সে রকমের একটি পদ্ধতি। ২০০৩ সালে যখন সার্স ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল তখন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল সিঙ্গাপুর গবেষণাগারে কয়েকজন সহকারীকে নিয়ে সার্স ভাইরাস দ্রুত নির্ণয়ের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ‘র‌্যাপিড ডট ব্লট’ পদ্ধতিটি ড. বিজন কুমার শীলের নামে পেটেন্ট করা। পরে এটি চীন সরকার কিনে নেয় এবং সফলভাবে সার্স মোকাবেলা করে।’
‘তারপর তিনি সিঙ্গাপুরেই গবেষণা করছিলেন ডেঙ্গুর ওপরে। গবেষণা চলাকালে তিনি দুই বছর আগে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগ দেন। আমাদের এখানে যখন যোগ দিলেন তখন তিনি ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করছিলেন।’
‘যখন গত বছরের ডিসেম্বরে নতুন করোনাভাইরাস দেখা দিলো তখন তিনি আমাদের বললেন, ‘এটা (নতুন করোনাভাইরাস) হলো সার্সের রূপান্তরিত রূপ। এটা ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করবে। উনি এটা বুঝতে পেরেছিলেন। তখন আমরা কেউ চিন্তা করি নাই করোনাভাইরাস এমন হতে পারে। তিনি তখন বলেছিলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে আমাদের গবেষণা করা দরকার।’
‘উনি আমাদের গণবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালের প্রধান বিজ্ঞানী। উনি সাভারে আমাদের ক্যাম্পাসে থাকেন। উনি গত দুই মাসে করোনার গবেষণা পারফেক্ট করেন।’
‘এই পদ্ধতিতে ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে অত্যন্ত স্বল্পমূল্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা যাবে,’ বলেও জানান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
‘এটা করতে রিএজেন্ট লাগে। কেমিক্যাল রিএজেন্টগুলো সহজলভ্য না। এগুলো পাওয়া যায় সুইজারল্যান্ড, আমেরিকা ও ব্রিটেনে।’
‘এখন এটি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরাই মার্কেটিং করতে যাচ্ছি। আমরা এর অনুমোদনের জন্যে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে আবেদন করেছি। তারা এর গুরুত্বটাই বুঝতে পারছে না। সাতদিন আগেই আমাদের অনুমোদন দিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। আজকে আমাদের প্রতিনিধি দল সেখানে গেছে। তাদের সঙ্গে মিটিং করছে। আজকে যদি আমরা অনুমোদন পেয়ে যাই তাহলে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদনের জন্যে আগামী সপ্তাহে ল্যাবরেটরিতে পাঠিয়ে দিবো।’
‘প্রচলিত কিট যেটা ব্যবহৃত হচ্ছে সেটা খুবই ব্যয়বহুল। এর জন্যে একটা দামি যন্ত্র প্রয়োজন হয়। সেই যন্ত্র সব মেডিকেল কলেজে নেই। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে তিনটা আছে। সারাদেশে এই যন্ত্র খুব বেশি নেই। আইইডিসিআরের কাছে একটা যন্ত্র আছে। এ কারণে তারা এখন পর্যন্ত মাত্র ২৬৮ জনের করোনা পরীক্ষা করতে পেরেছে। অথচ আমাদের পরীক্ষা করা উচিত ছিল হাজার-হাজার।’
‘ড. বিজন ও তার দলের উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে ১৫ মিনিটে করোনা শনাক্ত সম্ভব’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে মাত্র ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে বলে শনাক্ত করা যাবে করোনা সংক্রমণ হয়েছে কি না। এতে খরচ পড়বে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকার মতো। সরকার যদি এর ওপর ট্যাক্স-ভ্যাট আরোপ না করে তাহলে আমরা ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বাজারজাত করতে পারব।’
‘তবে সবকিছু নির্ভর করছে সরকারের মর্জির ওপরে। ডেঙ্গু টেস্টের যেমন মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল করোনা টেস্টেরও যদি মূল্য নির্ধারণ করে দেয় তাহলে জনগণ স্বল্প মূল্যে সেবা পাবে। মূল্য নির্ধারণ না করে দিলে যে যার যার মতো টাকা নিবে।’
‘আমরা মাসে এক লাখ কিট সরবরাহ করতে পারব। তবে সবকিছু ঠিক থাকলে প্রাথমিকভাবে এই মাসে ১০ হাজার কিট সরবরাহ করতে পারব।’
‘আরও একটি খুশির সংবাদ হলো: আমেরিকার একটি সংস্থা আমাদের জানিয়েছে তারাও আমাদের উদ্ভাবিত এই ‘র‌্যাপিড ডট ব্লট’ উৎপাদন করবে। এ কথা তারা ড. বিজনকে তারা জানিয়েছে,’ যোগ করেন ডা. জাফরুল্লাহ।
গবেষণা দলের সদস্য ড. নিহাদ আদনান দ্য ডেইলি স্টার অনলাইনকে বলেন, ‘অনুমোদন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ড. বিজন কুমার শীল ও ড. মহিবুল্লাহ ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে গিয়েছিলেন। অনুমোদন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। সাধারণত এ ধরনের অনুমোদন একটু সময় সাপেক্ষ। তবে জাতীয় স্বার্থের গুরুত্ব বিবেচনায় আমরা আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যে অনুমোদন পেয়ে যাবো।’

বিশ্বকে চমকে দেয়া বাংলাদেশি আবিষ্কারের গল্প

করোনাভাইরাসের মহামারিতে বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। উন্নত বিশ্বের বড় বড় সব গবেষণাগার ব্যস্ত এই ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার নিয়ে। এর মধ্যেই বিশ্বকে চমকে দিয়েছে বাংলাদেশের ‘গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র’। প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত দ্রুত ও কম মূল্যে করোনা শনাক্তের পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে। প্রায় দুই মাস ধরে গবেষণার পর এই সাফল্য আসে।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এই আবিষ্কার বৃহস্পতিবার সরকারিভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। প্রতিষ্ঠানটিকে কিট উৎপাদন ও বাজারজাত করার অনুমতি দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কাঁচামাল আমদানি হচ্ছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে উৎপাদনে যেতে পারবে প্রতিষ্ঠানটি।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠান ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির গবেষক ড. বিজন কুমার শীলের নেতৃত্বে ড. নিহাদ আদনান, ড. মোহাম্মদ রাঈদ জমিরউদ্দিন ও ড. ফিরোজ আহমেদ এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘ব্লাড গ্রুপ যে পদ্ধতিতে চিহ্নিত করা হয় এটা মোটামুটি সে রকমের একটি পদ্ধতি। ২০০৩ সালে যখন সার্স ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল তখন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল সিঙ্গাপুর গবেষণাগারে কয়েকজন সহকারীকে নিয়ে সার্স ভাইরাস দ্রুত নির্ণয়ের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ‘র‌্যাপিড ডট ব্লট’ পদ্ধতিটি ড. বিজন কুমার শীলের নামে পেটেন্ট করা। পরে এটি চীন সরকার কিনে নেয় এবং সফলভাবে সার্স মোকাবেলা করে।’
‘তারপর তিনি সিঙ্গাপুরেই গবেষণা করছিলেন ডেঙ্গুর ওপরে। গবেষণা চলাকালে তিনি দুই বছর আগে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগ দেন। আমাদের এখানে যখন যোগ দিলেন তখন তিনি ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করছিলেন।’
‘যখন গত বছরের ডিসেম্বরে নতুন করোনাভাইরাস দেখা দিলো তখন তিনি আমাদের বললেন, ‘এটা (নতুন করোনাভাইরাস) হলো সার্সের রূপান্তরিত রূপ। এটা ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করবে। উনি এটা বুঝতে পেরেছিলেন। তখন আমরা কেউ চিন্তা করি নাই করোনাভাইরাস এমন হতে পারে। তিনি তখন বলেছিলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে আমাদের গবেষণা করা দরকার।’
‘উনি আমাদের গণবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালের প্রধান বিজ্ঞানী। উনি সাভারে আমাদের ক্যাম্পাসে থাকেন। উনি গত দুই মাসে করোনার গবেষণা পারফেক্ট করেন।’
জাফরুল্লাহ বলেন, এই পদ্ধতিতে ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে অত্যন্ত স্বল্পমূল্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা যাবে। এটা করতে রিএজেন্ট লাগে। কেমিক্যাল রিএজেন্টগুলো সহজলভ্য না। এগুলো পাওয়া যায় সুইজারল্যান্ড, আমেরিকা ও ব্রিটেনে।’
তিনি জানান, এখন এটি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরাই মার্কেটিং করতে যাচ্ছি। প্রচলিত কিট যেটা বিশ্ব বাজারে আছে সেটা খুবই ব্যয়বহুল। এর জন্যে একটা দামি যন্ত্র প্রয়োজন হয়। সেই যন্ত্র সব মেডিকেল কলেজে নেই। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে তিনটা আছে। সারা দেশে এই যন্ত্র খুব বেশি নেই। আইইডিসিআরের কাছে একটা যন্ত্র আছে। এ কারণে তারা এখন পর্যন্ত মাত্র ২৬৮ জনের করোনা পরীক্ষা করতে পেরেছে। অথচ আমাদের পরীক্ষা করা উচিত ছিল হাজার-হাজার।’
‘ড. বিজন ও তার দলের উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে ৩৫০ টাকায় মাত্র ১৫ মিনিটে করোনা শনাক্ত সম্ভব’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে মাত্র ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে বলে যাবে আপনার দেহে করোনা সংক্রমণ হয়েছে কি না। এতে খরচ পড়বে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকার মতো। সরকার যদি এর ওপর ট্যাক্স-ভ্যাট আরোপ না করে তাহলে আমরা ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বাজারজাত করতে পারব।’
তিনি বলেন, তবে সবকিছু নির্ভর করছে সরকারের মর্জির ওপরে। ডেঙ্গু টেস্টের যেমন মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল করোনা টেস্টেরও যদি মূল্য নির্ধারণ করে দেয় তাহলে জনগণ স্বল্প মূল্যে সেবা পাবে। মূল্য নির্ধারণ না করে দিলে যে যার যার মতো টাকা নিবে। আমরা মাসে এক লাখ কিট সরবরাহ করতে পারব। তবে সবকিছু ঠিক থাকলে প্রাথমিকভাবে এই মাসে ১০ হাজার কিট সরবরাহ করতে পারব।’

Wednesday, March 18, 2020

জাস্টিন ট্রুডো করোনা নিয়ে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষন বাংলায় হুবুহু তুলে ধরা হলো

_
প্রিয় কানাডাবাসী৷ আমি জানি আজ সবাই কঠিন সময় পার করছেন৷ আশা করি এই বিপদ আমরা কাটিয়ে উঠবো তবে সেই জন্য আপনাদের সাহায্য আমার দরকার।
আপনাদের জন্য আমি আজ প্রধানমন্ত্রী, জনগনের সেবা ও নিরাপত্তা দেয়া আমার প্রধান কাজ, আমি চাইলে নিজে ঘরে বন্দি থাকতে পারতাম, তবুও রিক্স নিয়ে আপনাদের খোজ খবর নিচ্ছি, বের হচ্ছি, । কারন আপনারাই আমার অক্সিজেন। আপনারা সুস্থ থাকলেই আমি সুস্থ। আপনাদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ আমার কাছে কিছুই নেই।
আপনাদের কাছে অনুরোধ আপনার ১ মাস নিজ বাসায় অবস্থান করুন। শুধু মাত্র মেডিসিন+ প্রয়োজনীয় খাবার+ পানীয় দোকান গুলো খোলা রাখবেন৷ তবুও সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি নাগরিকের বাসায় ১ মাসের যাবতীয় সব ধরনের খাবার পানি মেডিসিন মাস্ক আমরা পৌছে দিচ্ছি। তাছাড়া আপনাদের যখন যা লাগে আপনাদের দেয়া নাম্বারে যোগাযোগ করবেন, আপনাদের বাসায় সব কিছু পৌছে দেয়া হবে। তবুও বের হবেন না।
ভয় নেই কাউকে অনাহারে মরতে হবে না। আপনারা নিজ বাসায় অবস্থান করুন৷ সচেতন থাকুন। আপাতত আমাদের দেশ লক ডাউন করে দিচ্ছি।।পরিস্থিতি ঠিক হলে আবার খুলে দিব। আমার উপর আপনারা আস্থা রাখুন।
আপনারা যারা অফিস আদালত কিংবা অন্য প্রতিষ্ঠানে কাজে নিয়োজিত ছিলেন, আপনাদের কারো কাজে যেতে হবে না। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অফিস কারখানা বন্ধ ঘোষনা করলাম।।
ভয় নেই, আপনাদের সবার একাউন্টে আপনাদের মাসিক বেতনের টাকা পৌছে যাবে। শুধু তাই নয় আপনারা যারা বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন, সেই ভাড়াও সরকার বহন করবেন। এসব নিয়ে একটুও চিন্তিত হবার কারন নেই। আপনাদের ভালো রাখাই আমার কাজ। যারা সরকারের নিয়ম মানবে তাদের এক কালিন অতিরিক্ত অর্থ পুরস্কার দেয়া হবে।
করোনা আজ পুরা দুনিয়ার এক আতংকের নাম। আপনাদের সবার সহযোগিতা দরকার। আপনার কেউ ঘর থেকে বের হবেন না।।বাসায় থাকুন এবং সচেতনার সাথে থাকুন। আশা করি শীঘ্রই আমরা এই সংকট কাটিয়ে উঠবো। এই জন্য প্লিজ আপনারা আমাকে সহযোগিতা করুন। ধন্যবাদ
_
_
এইবার বলেন,
প্রধানমন্ত্রী এই শব্দটা এই মানুষটার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য কিনা? প্রধানমন্ত্রী আসলে এমন ই হওয়া উচিত। সেলুট জাস্টিন ট্রুডো কে। সত্যি আপনি একজন যোগ্য রাষ্ট্র নায়ক।
সংগ্রহ

যেসব উপসর্গে করোনাভাইরাস পরীক্ষার প্রয়োজন নেই: ডা. দেবী শেঠী

বিশ্বব্যাপী মহাবিপর্যয় নামিয়ে এনেছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এরই মধ্যে বিশ্বের ১৭২টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। ইতোমধ্যে আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৫৭ মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ৮ হাজার ৭৯১ জনের। প্রাণঘাতী এই ভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে ভুগছে বিশ্ববাসী।
করোনাভাইরাসের অন্যতম একটি উপসর্গ হচ্ছে জ্বর। কিন্তু জ্বর হলেই করোনাভাইরাসের পরীক্ষা না-করার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠী। তার মতে, অতিরিক্ত পরীক্ষা ভবিষ্যতে বিপদ বাড়াবে। কেননা চাহিদার তুলনায় করোনা পরীক্ষার কিট অপ্রতুল।
ডা. দেবী শেঠীর মতে, “যদি কারও ফ্লু বা সর্দি থাকে, প্রথমে নিজেকে আইসোলেশন করে লক্ষণ ভালো করে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। প্রথম দিন শুধু ক্লান্তি আসবে। তৃতীয় দিন হালকা জ্বর অনুভব হবে। সঙ্গে কাশি ও গলায় সমস্যা হবে। পঞ্চম দিন পর্যন্ত মাথায় যন্ত্রণা হবে। পেটের সমস্যাও হতে পারে। ষষ্ঠ বা সপ্তম দিনে শরীরে ব্যথা বাড়বে এবং মাথার যন্ত্রণা কমতে থাকবে। তবে পেটের সমস্যা থেকেই যাবে। অষ্টম ও নবম দিনে সব লক্ষণই চলে যাবে। তবে সর্দির প্রভাব বাড়তে থাকে। এর অর্থ আপনার প্রতিরোধক্ষমতা বেড়েছে এবং আপনার করোনা-আশঙ্কা নেই।”
এই চিকিৎসক বলেছেন, ‘এসব ক্ষেত্রে আপনার করোনা পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। কারণ শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গেছে। তবে যদি অষ্টম বা নবম দিনে আপনার শরীর আরও খারাপ হয়, করোনা-হেল্পলাইনে ফোন করে অবশ্যই পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে।” তথ্যসূত্র: এই সময়

হটলাইনে কল করলে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে আসবো: ফ্লোরা

আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেছেন, যদি কারো করোনার লক্ষণ, উপসর্গ দেখা দেবে তাদের হট নাম্বারে কল করতে বলা হয়েছে। হটলাইনে কল করার পর, সন্দেহভাজন ব্যক্তির সবকিছু শুনে আইইডিসিআর যদি মনে করে—তার নমুনা সংগ্রহ করা প্রয়োজন, তাহলে তারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে আসবে।
‘এছাড়া আইইডিসিআর যদি মনে করে—ওই রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন, তাহলে আইডিসিআর অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়ে রোগীকে সংশ্লিষ্ট হাসপাতলে নিয়ে যাবে।’
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এসব তথ‌্য জাোন। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাইকে পরামর্শ দেই, যারা বিদেশ থেকে আসছেন, যদি লক্ষণ-উপসর্গ থেকে থাকে, আপনারা দয়া করে মুভ করবেন না, আপনারা বাড়িতে থাকুন। একটি ঘরের মধ্যে থাকুন। আমাদের ফোন করুন।’
তিনি বলেন, যদি নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজন হয়, আমরা বাড়িতে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে আসবো। যদি হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয়, কোন হাসপাতালে যাবে, অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়ে আমরা নিয়ে আসবো, যাতে করে তারা গণপরিবহন ব্যবহার না করে।
হটলাইনের নম্বরগুলো হলো—০১৪০১১৮৪৫৫১, ০১৪০১১৮৪৫৫৪, ০১৪০১১৮৪৫৫৫, ০১৪০১১৮৪৫৫৬, ০১৪০১১৮৪৫৫৯, ০১৪০১১৮৪৫৬০, ০১৪০১১৮৪৫৬৩, ০১৪০১১৮৪৫৬৮, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯৩৭১১০০১১, ১৬২৬৩।

যে রক্তের গ্রুপে করোনার ঝুঁকি কম



করোনা তাণ্ডবে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের প্রকোপ দিন দিন ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতিদিনই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে কেউ না কেউ। মৃত্যুবরণও করছে। এ অবস্থায় জানা গেলো- যাদের রক্তের গ্রুপ ‘ও’, তাদের প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে কম। সম্প্রতি চীনের গবেষকদের এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
মঙ্গলবার সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চীনের গবেষকরা উহান ও শেনজেনের ভাইরাস আক্রান্ত ২ হাজারের বেশি মানুষের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে এই গবেষণা করেছেন। গত ১১ মার্চ ওই গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করা হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, ‘এ’ গ্রুপের মানুষের আক্রান্তের হার বেশি এবং তাদের অবস্থাও অন্যদের তুলনায় গুরুতর ছিল।
এটাকে প্রাথমিক গবেষণা হিসেবে উল্লেখ করে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় রক্তের গ্রুপ বিবেচনা করতে সরকার ও চিকিৎসকদের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন গবেষকরা।
গবেষণার নেতৃত্বে ছিলেন উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াং জিংহুয়ান। তিনি বলেছেন, ‘যাদের রক্তের গ্রুপ ‘‘এ’’ তাদের ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি। তাই তাদের প্রতি বাড়তি সতর্কতা ও নজরদারি বাড়াতে হবে। এ ছাড়া তাদের চিকিৎসায় অধিকতর যত্নের প্রয়োজন হতে পারে।’
গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ‘যাদের রক্তের “ও” তাদের সংক্রমণের সংখ্যা তুলনামূলক কম ছিল।’
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে উহানে মারা যাওয়া ২০৬ জনের ৮৫ জনের রক্তের গ্রুপ ‘এ’ এবং ৫২ জনের রক্তের গ্রুপ ‘ও’। ‘এ’ গ্রুপের রোগীদের মৃতের হার ‘ও’ গ্রুপের রোগীদের চেয়ে ৬৩ শতাংশ বেশি।
তবে কী কারণে বিভিন্ন গ্রুপের রক্তের করোনার প্রভাব ভিন্ন তা জানার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

কোটালীপাড়ায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ৯ জন

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় সিঙ্গাপুর, দুবাই, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা নয় ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. শামছুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি প্রতিদিনের সংবাদকে জানান, এই নয়জনকে আমরা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি। তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে আমরা খোঁজ নিয়েছি। তবে এদের শরীরে এখন পর্যন্ত অসুস্থতার লক্ষণ পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দুইটি আইসোলেশন বেড রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুশান্ত বৈদ্য। 

গোপালগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী রামশীল ইউনিয়নে মুজিবশতবর্ষ উৎযাপন

গোপালগঞ্জ জেলার, কোটালীপাড়া উপজেলাধীন ৩নং রামশীল ইউনিয়ন যেখানে ১৯৭১সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ও ২০০১সালের আওয়ামীলীগের দুর্দিনে হাজার হাজার নেতাকর্মী আশ্রয় নেয় সেখানে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও রামশীল ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উৎযাপন কারা হয়েছে।
প্রথমে, সকাল ৯টায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ অফিসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় ও তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করা হয়।
দ্বিতীয় অধিবেশনে, ধর্মীয়গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে কেক কাটা, শিশু সমাবেশ, আলোচনা সভা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় ।
অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইস.এম হুমায়ুন কবিব , সভাপতিত্ব করেন রামশীল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শ্যামল বিশ্বাস ও বিশেষ অতিথি আসন গ্রহণ করেন রামশীল ইউনিয়ন পরিষদের বার বার নির্বাচিত সফল চেয়ারম্যান ও অধ্যক্ষ খোকন বালা, অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জগদীশ বালা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সফল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি খগেন্দ্র নাথ তালুকদার ও রামনন্দ ঢালী, সাবেক কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য অরুন মল্লিক, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ভরত সরকার,সবুজ মজুমদার ,বিমল বাড়ৈ, রঞ্জন হালদার,বিপুল বৈদ্য, মহিলা সদস্য ফুলঝুরি সাহা,সাবেক সদস্য শিখা রানী সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রামশীল ইউনিয়ন যুবলীগ রতন বালা , সভাপতি রামশীল ইউনিয়ন ছাত্রলীগ মিলন বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক কাজিমন্টু কলেজ কমল তালুকদার, কারিতাস এনজিওর ম্যানেজার নজরুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা মানিক বিশ্বাস, মিহির অধিকার, শংকর হালদার, অশোক বিশ্বাস, বিপুল বালা, বিকাশ চক্রবর্তী, রামশীল কলেজ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অংকন তালুকদার, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনুপ হালদার সহো স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও দুর দূরান্ত থেকে আগত অতিথিবৃন্দ ।
অনুষ্ঠান শেষে, আলোকসজ্জা ও আনন্দ ভোজের আয়োজন করা হয়।

এইমাত্র পাওয়া খবর

আপনি কি অনলাইনে ঘরে বসে বিভিন্ন উপায়ে আয় করতে চান?

আপনি কি অনলাইনে ঘরে বসে বিভিন্ন উপায়ে আয় করতে চান?
আপনি কি অনলাইনে ঘরে বসে বিভিন্ন উপায়ে আয় করতে চান?

Dalai Lama জীবনের বিস্ময়কর অজানা তথ্য

Dalai Lama জীবনের বিস্ময়কর অজানা তথ্য
Dalai Lama জীবনের বিস্ময়কর অজানা তথ্য

• আরও সংবাদ বিষয়: