Breking News

সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন । আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন।বিজ্ঞপ্তি: জরুরী সংবাদকর্মী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চলিতেছে…। আপনি কি কম খরচে Website, Bloggersite, Youtube channel, E-commica site তৈরি করতে চান? যোগাযোগ করুন বিস্তারিত : মোবাইল: 01712475454,01940103713 , দেশ - বিদেশের খবর সবার আগে জানতে সাথে থাকুন।আমাদের সংঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ এ রকম আরও ভিডিও/ সর্বশেষ সংবাদ Update News পেতে আমাদের Website /Youtube Channel পেইজে লাইক দিন৷ ❤️ ✌ ✔️ কোন মতামত বা প্রশ্ন থাকলে কমোন্ট করে জানান ।

Wednesday, April 4, 2018

Nick Vaijicic Biography , নিক ভায়জিকিক জীবনী

নিকের বিখ্যাত কিছু উক্তি-
বিখ্যাত কিছু উক্তি- “মিরাকলের জন্যে অপেক্ষায় বৃথা সময় নষ্ট না করে নিজেই মিরাকলে পরিণত হন” “আমরা পথ খুঁজে না পেয়ে বেদিশা হয়ে যাই, কিন্তু তার মানে এই না যে, পথ নেই। পথে নামার সাহসটাই মূল ব্যাপার” “প্রতিটি সীমাবদ্ধতাই সীমাহীন বিকল্পের জন্মদাতা” “ঈশ্বর আপনাকে ভালোবাসেন বলেই তিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন।“ “আপনার কি নেই তা ভেবে ঈশ্বরের প্রতি রাগান্বিত না হয়ে কী আছে তা ভেবে কৃতজ্ঞ হন” “সংগ্রাম যত কষ্টকর, তার ফল তত মধুর” এ পর্যায়ে নিকের জীবনে আরেকটি বাঁক এলো। ক্যালিফোর্নিয়ায় তার কিছু আত্মীয় থাকতো। তারা তাকে আহবান জানালো সেখানে চলে আসতে। “আরে এখানে চলে আয় ব্যাটা! দুনিয়াকে দেখিয়ে দে তুই কত কিছু পারিস!”। নতুন জায়গা, নতুন মানুষজন, স্বজন, নতুন চ্যালেঞ্জ-এই তো নিকের প্রত্যাশিত জীবন! সেখানে গিয়ে ধাবিত হলেন নতুন স্বপ্নে। তার মত মানুষদের জন্যে প্রতিষ্ঠা করবেন একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। অবশেষে ২০০৫ সালে তার স্বপ্ন সফল হলো। প্রতিষ্ঠিত হলো “লাইফ উইথআউট লিম্বস” নামক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য মানুষে মানুষে সকল বাধা, বিভেদ, বিপত্তি দূর করে জন্ম, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এক সামিয়ানার নীচে নিয়ে আসা এবং ঈশ্বরের কাছে জীবন সম্পর্কে কৃতজ্ঞতা জানানোর দীক্ষা দেয়া। অনেকেই বিশ্বাস করতে পারে না যে নিক এমন ভয়াবহ প্রতিকূলতা স্বত্ত্বেও নিজের জীবন নিয়ে তৃপ্ত, আনন্দিত। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দুঃখী মানুষেরা নিকের কাছে এসে যখন তার হাসি-খুশি এবং আত্মবিশ্বাসী অবয়বটা অবলোকন করে, তখন তারা সাহস ফিরে পায়। নতুন ভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখে। জীবন সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি পালটে ফেলে। কিছুদিন আগে এই প্রতিষ্ঠানের দশ বছর পূর্তি হলো। ২০০৭ সালে নিক প্রতিষ্ঠা করেন মোটিভেশনাল স্পিচের সংস্থা এ্যাটিচুড ইজ এ্যালটিচুড"। নিকের বাবা তাকে বলতেন, “তুমি ঈশ্বরের এক অমূল্য উপহার, শুধু একটু ভিন্নভাবে বানানো”। কী দারুণ সত্য এক অমিয় বাণী ছিলো সেটা!







ভেবে দেখুনতো একটি শিশু যদি হাত কিংবা পা ছাড়া জন্ম গ্রহন তাহলে ব্যপারটা কেমন দাড়ায়। কোন হাত নেই কাউকে জড়িয়ে ধরার, কারো হাতের একটু স্পর্শ পাবার অথবা কারো হাত ধরে সামনের দিকে এগিয়ে যাবার। বলুনতো সেই মানুষটির যদি কোন পা না থাকে তাহলে কী হতে পারে। চিন্তা করে দেখুন সেই মানুষটির কথা যে জীবনে কোন দিন আনন্দে নাচতে পারবে না, হাটতে পারবে না, দৌড়াতে পারবে না এবং দু’পায়ে ভর দিয়ে দাড়াতে পারবে না। পুরো ব্যপারটি যদি একজন মানুষের ক্ষেত্রে হয় তাহলে কেমন হয় - যার দু’হাত নেই, দু’পা নেই। তাহলে সে মানুষটির কাছে জীবনের মানে কী দাড়াতে পারে। জীবনকে নিয়ে সে মানুষটির স্বপ্ন দেখা কী উচিত ? সে কী সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে এতো সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে ? প্রিয় পাঠক, চলুন যেনে নেই এমন একজন মানুষ সম্পর্কে যিনি আমাদের কাছে অনুকরনীয় ব্যক্তিত্ত হতে পারেন কারন আমাদের হাত আছে, পা আছে । তাছাড়া আমাদের ১৬ কোটি জনসংখ্যার ছোট এই দেশটিতে অসংখ্য মানুষ রয়েছে যারা বিকলাঙ্গতায় ভুগছেন অর্থাৎ যাদের দু’হাত, দু’পা নেই। যারা স্বপ্ন দেখতে পারে না, সামনের দিকে এগিয়ে যা্ওয়ার জন্য কারো উৎসাহ পায় না, জীবনটাই যাদের কাছে অভিশাপ । সে ধরনের মানুষদের জন্য নিকোলাস হতে পারেন স্বপ্ন পুরুষ, অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।১৯৮২ সালে অষ্টেলিয়ার মেলবোর্নের একটি হাসপাতালে এক আজব শিশুর জন্ম হয়েছিল যার নাম নিকোলাস। পুরো নাম নিক বোয়েসিস (Nick Vujicic) । নিকের জন্মের পুর্ব মুহুর্ত্তে তার বাবা-মা স্বপ্ন দেখেছিল, তাদের আদরের সন্তান জন্ম হবে আরও দশটি শিশুর মতোই স্বাভাবিক। কিন্তু নিকের জন্মের পর নিকের মা যখন তার আদরের সন্তানকে প্রথম স্পর্শ করেছিল তখন নিকের বাবা-মায়ের স্বপ্ন ভেঙ্গে গিয়েছিল। কারন এরকম অস্বাভাবিক সন্তান কারো কাম্য নয়। নিকের অস্বাভাবিক জন্মের কারন চিকিৎসকগন কিছুতেই খুজে বের করতে পারলেন না। নিকের মায়ের গর্ভবর্তী অবস্থায় শারীরিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিরিক্ষার রির্পোট দেখা হলো, নিকের বাবা-মায়ের বংশের ইতিহাস বৃত্তান্ত খুজে দেখা হলো কিন্তু কোন কারন পাওয়া গেলো না। সূতরাং নিকের বাবা-মাকে মেনে নিতে হলো নিক অস্বাভাবিক এবং বিকলাঙ্গ । নিকের পরিচয় হলো বিকলাঙ্গ শিশু। নিকের পিতা পোস্টার বরিস বোয়েসিস এবং মা ডুসকা বোয়েসিস কখনোই আশা করেননি তাদের সন্তান এভাবে বিকলাঙ্গ শিশু হয়ে জন্মাবে। নিকের বাবা-মায়ের একটাই চিন্তা তাদের সন্তান নিক কিভাবে স্বাভাবিক জীবন যাপন করবে ?নিকের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে চরম হতাশার মধ্যে পড়ে যায় নিকের বাবা-মা। এভাবেই নিক এক চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে বড় হতে থাকে। যেহেতু নিক ছোট বেলা থেকেই চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে বেড়ে উঠেছিল, সূতরাং কেউ কোন দিন কল্পনা করতে পারেনি বিকলাঙ্গ এই সুন্দর শিশুটি একদিন পৃথিবীর সব মানুষকে যারা বিকলাঙ্গ নয় কিংবা বিকলাঙ্গ সবাইকে অন্যভাবে বাঁচার পজেটিভ স্বপ্ন দেখাবে, পৃথিবীকে বদলে দেওয়ার আহবান জানাবে।

ব্যাপারটা সত্যিই অতুলনীয় মনে হয় প্রাপ্ত বয়স্ক নিক যখন জীবনের এই পর্যায়ে এসে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজে, বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন সংস্থায় হাজার হাজার মানুষের সামনে বক্তব্য রেখে পজেটিভ স্বপ্ন দেখার পথ দেখায় তখন আমাদের মতো স্বাভাবিক মানুষদের বিবেকে নাড়া দেয়। জীবন জয়ে যারা চরম হতাশায় পতিত, যারা জীবনে বিভিন্নভাবে ব্যর্থ হয়ে জীবনকে অর্থহীন মনে করছেন তাদের জন্য একজন বিকলাঙ্গ শিশুর আহবান সত্যিই উল্লেখযোগ্য। নিক বর্তমানে আমাদের পৃথিবীতে সব বয়সের মানুষকে প্রেরনা ও উৎসাহ দেওয়া এক কিংবদন্তি নায়কের নাম।শৈশব থেকে কৈশর পার হয়ে জীবনের এই পর্যায়ে আসতে নিককে কঠিন সংগ্রাম করে সকল ধকল সহ্য করে আজকের অবস্থানে আসতে হয়েছে । নিক কখনো কখনো চরম হতাশায় পড়েছেন যখন নিক শৈশবে স্কুলে বন্ধুদের সাখে খেলতে পারতেন না, কেউ যখন নিকের সাথে বন্ধুত্ব করতে আসতো না । কৈশরে এসেও নিক সম্পূর্ন একাকী হয়ে পড়েন কারন এই বিকলাঙ্গ শিশুটিকে প্রতিমূহুত্বে বিভিন্ন্ প্রশ্নের মুখোমুকি হতে হতো। সেই দিন গুলোতে নিক প্রায়ই তার জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রায়ই ভাবতেন। নিকের বয়স যখন সাত বছর স্কুলের সেই দিনগুলোতে নিক তখন চরম হতাশ হয়ে কৃত্রিম অঙ্গ-পতঙ্গের কথাও একবার ভেবেছিলেন। কারন কিশোর নিক তখন অন্য দশটি শিশুর মতো চলাফেরা করার নেশায় মত্ত ছিলেন। নিকের দেহে ইলেকট্রনিকস অঙ্গ-পতঙ্গের ট্রায়াল করা হয়েছিল কিন্তু সেখানেও বাধলো বিপত্তি কারন নিক সেসব ভারি অঙ্গ-পতঙ্গ নিয়ে স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারতেন না। অসহায় নিক কৃত্রিম অঙ্গ-পতঙ্গ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। নিক পৃথিবীকে বেঁচে থাকার আশায় তার বিকলাঙ্গতাকে পুঁজি করে স্বপ্ন দেখতে লাগলো বড় হতে হবে, কিছু করতে হবে এবং স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে।

এভাবেই নিক যখন বড় হতে লাগলো তখন সে তার বিকলাঙ্গতাকে জয় করতে শিখলো। নিক নিজেই তার সব প্রতিবন্ধকতাকে জয় করার জন্য নিজেই নিজের সমস্যা সমাধানের জন্য পথ বের করতে লাগলো। দু’হাত এবং দু’পা না থাকলেও নিক নিজে নিজেই বের করলো কিভাবে দাঁত ব্রাশ করতে হবে, চুল সুন্দর করে আচড়াতে হবে, কম্পিউটারে ব্রাউজ করতে হবে, সাতার কাটতে হবে। নিক এখন নিজের মতো করে অনেক কিছুই করতে পারে। নিকের জীবনে এভাবেই সফলতা আসতে লাগলো যখন সে সব অনাকাঙ্কিত পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে শিখলো। স্কুলে নিক যখন ক্লাস সেভেন এ উঠলো নিক তখন ক্লাস ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হলো। একই সাথে নিক স্টুডেন্ট কাউন্সিলর হিসেবে বিভিন্ন ধরনের কাজ শুরু করে জনকল্যানমুলক কাজ করতে লাগলো এবং বিকলাঙ্গ শিশুদের সমস্যা সমাধানে উৎসাহ ও প্রেরনাদায়ক বিভিন্ন কর্মসূচী পরিচালনা করতে শুরু করলো।স্কুলের আঙ্গিনা শেষ করে নিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করলো ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জনের জন্য। নিক অর্থনীতি ও একাউন্টিং বিষয়ে ডিগ্রি গ্রহন করলো মাত্র উনিশ বছর বয়সে। এরপর নিক তার স্বপ্ন সফল করার জন্য এবং বিভিন্নস্তরের মানুষকে উৎসাহ ও উদ্দিপনা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেমিনার, সভায় মটিভেশনাল বক্তব্য এবং নিজের জীবনের ঘটে যাওয়া বাস্তব ঘটনাগুলো গল্প আকারে উপস্থাপন করতে শুরু করলো। নিক বলতো আমি আমার বেঁচে থাকার স্বার্থকতা খুজে পেয়েছি, আমার স্বপ্নের মধ্যে। আমি ভাবতাম পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করে কিভাবে সফল হতে হবে। নিক বিশ্বাস করতো - জীবনে সফল হওয়ার জন্য একটি জিনিস খুবই গুরুত্বপূর্ণ আর তা হচ্ছে - Attitude. আমাদের জীবন সংগ্রামে সফল হতে হলে Attitude সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।নিকের জীবন জয়ের পেছনে যাদের অবদান, যাদের সাহার্য্য নিয়ে নিক আজ জীবনের সকল সীমাবদ্ধতা জয় করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের মধ্যে নিক তার পরিবারের সকল সদস্য, কাছের কয়েকজন বন্ধু-বান্ধব, এবং সর্বোপরী নিকের শিক্ষকদের কথা বার বার করে স্বীকার করেন। নিকের বলতে যা কিছু ছিল তা হচ্ছে জীবনকে চরম অবস্থায় বেঁচে থাকার খুব বেশী পজেটিভ চিন্তা এবং জীবন জয়ের স্বপ্ন। জীবন জয়ের স্বপ্নকে পুঁজি করে আরও সৃষ্টিশীল কিছু করাই নিকের জীবনের লক্ষ্য।
২০০৫ সালে নিক অষ্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ সম্মানের ‘Young Australian of The Year’’ এওয়ার্ড পান। সামাজিক এবং জাতীয় পর্যায়ে অবদানের জন্য অষ্ট্রেলিয়ান সরকার সর্বোচ্চ সামাজিক এবং রাষ্ট্রিয় পুরুস্কার হিসেবে নিককে এ ধরনের একটি এওয়ার্ড দিয়ে সম্মানিত করেন। মূলত সামাজিক এবং রাষ্ট্রিয়ভাবে দেশের মানুষকে বিভিন্ন কাজে উৎসাহিত করার জন্য অষ্ট্রেলিয়ায় সর্বোচ্চ সম্মানের এ পুরুস্কারটি নিকের জীবনের বড় একটি অর্জন।

নিকের বয়স এখন ২৭ বছর। স্বপ্ন ও উৎসাহের সাথে নিক পার করেছেন জীবনের ২৭ বসন্ত। ২৭ বছর পার হতে নিককে কতো কঠিন সময় পার হতে হয়েছে তা সহযেই ধারনা করা যায়। কারন এ ২৭ বছরে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পূর্ণ করতে নিক কখনো উৎসাহিত হয়েছেন আবার কখনো হৃদয়ে নেমে এসছে হতাসা, গ্লানি এবং বিষন্নতা। সমাজপতিদের ধারনা ছিল - এ বিকলাঙ্গ শিশুটি আর কী করতে পারবে ? সুতরাং বোঝাই যায় তাদের কাছ থেকে নিক কতোটুকু সাহার্য পেয়েছেন। তবুও নিক দমে যাননি। দেখতে চেয়েছেন জীবনকে খুব কাছ থেকে। চলার পথে বহু সাধনা, কাজের সমন্বয়, নিকটজনের উৎসাহ এবং মনের ভিতর জেগে থাকা স্বপ্ন নিয়ে শুধু সামনের দিকে ছুটে চলার স্বপ্ন দেখেছেন নিক। নিক যখন তীব্র উৎসাহের সাথে কোন ভাল কাজ সম্পর্ণ করেছেন তখন নিকের মনে হয়নি তার দু’পা নেই, দু’হাত নেই। ২৭ বছর বয়স কী দূর্দান্ত, কতো উৎসাহের বয়স স্বপ্নবাজ এ চিরতরুনের চোখে কারন মাত্র ২৭ বছর বয়সে নিক যে কাজ গুলো সম্পূর্ণ করেছেন একজন সুস্থ, সবল লোক যাদের দু’হাত, পা রয়েছে তারা ৫২ বছর বয়সেও এতো কাজ করতে পারেননি। তবুও নিক তৃপ্ত নন। নিক শুধু ছুটে চলছেন কারন তাকে সামনের দিকে যেতে হবে বহুদুর কারন এখনো অনেক কাজ বাকী। সম্প্রতি নিক ব্রিজবেন থেকে ছুটে গেছেন অষ্ট্রেলিয়ায়, ক্যালিফোর্নিয়ায় এবং সেখান থেকে আমেরিকায়। কারন নিক এখন একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার প্রেসিডেন্ট। এছাড়াও নিকের নিজের একটি কোম্পানী রয়েছে যার মাধ্যমে নিক বিভিন্ন স্কুলে, কলেজে, বিশ্ববিদ্যালয়ে, বিভিন্ন সংস্থায় মানুষকে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের উৎসাহ, উদ্দিপনামুলক বক্তব্য রাখেন। নিকের কোম্পানীর নাম - Attitude is Altitude. নিক মটিভেশনাল বক্তব্য রাখতে শুরু করেন যখন নিকের বয়স মাত্র ১৯ বছর। নিক পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেছেন, পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ শুনেছে নিকের কথা, নিক অকপটে বলেছেন তার জীবনের বয়ে চলা সংগ্রামের কথা। নিক বিভিন্ন বয়সের মানুষকে বিশেষ করে স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, যুবক, ব্যবসায়ী নারী পুরুষসহ সবাইকে উদ্দিপিত করেছেন, উৎসাহিত করেছেন, স্বপ্ন দেখাতে পেরেছেন। নিককে নিয়ে প্রতিবেদন প্রচার করেছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাংবাদিক, টেলিভিশন চ্যানেল। নিককে নিয়ে তৈরী হয়েছে বিভিন্ন ধরনের তথ্য চিত্র। নিক তার কর্মকান্ড পরিচালনা করতে যেয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতা নেত্রীদের সাথে দেখা করা এবং আলাপ করার সুযোগ পেয়েছেন। ২০১০ সালের মধ্যে নিক পৃথিবীর প্রায় ২০টি দেশে তার কর্মকান্ড নিয়ে মটিভেশনাল বক্তব্য রাখবেন।নিক তার বিভিন্ন দেশে যাত্রা পথে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি হন। কতোগুলো প্রশ্ন শুনে নিক উৎসাহিত বোধ করেন আবার অনেকগুলো প্রশ্ন শুনে নিক কষ্টও পান। তবুও নিককে এগিয়ে যেতে হবে কারন সেতো পৃথিবীর অন্যরকম এক স্বপ্নবাজ যুবক। নিককে প্রায়ই একটি প্রশ্ন করা হয় - কিভাবে আপনি হাসতে পারেন ? নিক বলেন - স্বাভাবিক যাদের দু;হাত পা আছে তারা জীবনে অনেক কিছুর স্বাদ পেয়েছে এবং তারা যখন দেখে দু;হাত পা ছাড়া একজন মানুষ কতো স্বাচ্ছন্দভাবে জীবন অতিবাহিত করছেন তা অনুভব করলে আমার মুখে হাসি আসতেই পারে। জীবনকে দেখতে হবে পজিটিভ ভাবনা থেকে, চিন্তা দিয়ে । তাহলে জীবনের সব কষ্ট, না পাওয়ার ব্যথা বলতে কিছু থাকবেনা। নিক যখন পৃথিবীর কোন এক প্রান্তে তার মটিভেশনাল বক্তব্য নিয়ে উপস্থিত হন তখন উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশ্য করে বলেন স্বপ্ন কতো বড় হওয়া প্রয়োজন এবং স্বপ্ন দেখার গুরুত্ব কতো বেশী। নিক সবাইকে চ্যালেন্জ দিয়ে বলেন যেকোন সমস্যা যতো বড়ই হোক না কেনো তা সমস্যা হিসেবে না দেখে সুযোগ হিসেবে দেখলে সকল দূর্ভেদ্য সমস্যাও অতিক্রম করা সম্ভব। নিক তার নিজের জীবনকে সমস্যা হিসেবে না দেখে দেখেছেন সুযোগ হিসেবে। নিক বলেন যদি তার হাত পা থাকতো তাহলে হয়তো তার এ ধরনের কাজ করার সুযোগ হতো না। নিকের এ জীবনে যতোটুকু সফলতা অর্জিত হয়েছে মূলত তার স্বপ্ন ও পজিটিভ চিন্তা থাকার কারনেই সম্ভব হয়েছে। নিক আরও যোগ করে বলেন মানুষের সফলতার পিছনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফেক্টর হচ্ছে Attitude । Attitude বা মনোভাব অথবা বলতে পারেন মানসিকতা হচ্ছে জীবনকে পরিবর্তনের সবচেয়ে শক্তিশালী ফেক্টর। পজিটিভ মনোভাব বা মানসিকতা থাকলে জীবনের যে কোন সমস্যা অতিক্রম করে সাফল্যের চূড়ায় ওঠা সম্ভব। জীবন নিয়ে ভয় ভীতি, শংকা, সন্দেহ, অবিশ্বাস ইত্যাদি থাকলে জীবন আমাদের ধীরে ধীরে পঙ্গু হয়ে যেতে পারে। ব্যাপারটা হচ্ছে এরকম দু’হাত আছে, দু’পা আছে, সবকিছু আছে তবু কেনো যেনো আমরা পঙ্গুত্ববরন করে আছি।যাইহোক আপাতদৃষ্টিতে দেখলেতো মনে হবে নিক একজন পঙ্গু মানুষ। প্রশ্ন হচ্ছে - নিক কী ভাবে তার এ জীবন নিয়ে ? নিক বলেন - আমি আমার এ জীবনকে স্বাভাবিক ভাবে গ্রহন করেছি। সে তার বুদ্ধিমত্তা, স্বপ্ন, মেধা, কল্পনাশক্তি ইত্যাদি দিয়েই তার পঙ্গুত্বকে জয় করেছে। নিক মনে করেন তার সবকিছু আছে। জীবনের এ অবস্থায় বিকলাঙ্গ বলে কোন কিছু টের পান না নিক। নিক শুধু জানেন স্বপ্ন দেখতে হবে শেষদিন পর্যন্ত, করে যেতে হবে সবকিছু যা কিছু আছে মননে। তবেই জীবনের স্বার্থকতা। সত্যিকার অর্থে বলতে গেলে নিক আমাদের জন্য উৎসাহ উদ্দিপনার জীবন্ত এক কিংবদন্তি নায়ক। জয় হোক নিকের। জয় হোক পৃথিবীর সকল স্বপ্নবাজ মানুষের।

Tuesday, April 3, 2018

বারট্রান্ড রাসেলের উক্তি , বারট্রান্ড রাসেল জীবনী , Bertrand Russell Biography.






বিংশ শতকের বিশ্বের বিখ্যাত ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি ছিলেন মানবতাবাদী এবং বিজ্ঞান ও গণিত শাস্ত্র বিশারদ এবং দার্শনিক ব্যক্তিত্য বার্ট্রান্ড রাসেল ৷ ১৯৫০ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং পরে বৃটেনের সর্বোচ্চ বেসামরিক উপাধি ‘ অর্ডার অব মেরিট ’ ও তাকে প্রদান করা হয় ৷ তবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর যুদ্ধবিরোধী বিশ্বজনমত গঠনে নিজের মতামত প্রকাশ করে নিবন্ধ লিখার অপরাধে ১৯১৮ সালে দণ্ডিত হয়ে কারাভোগ করতে হয়েছে তার ৷ কিত্তু বার্ট্রান্ড রাসেলের জ্ঞানের গভীরতা ছিল অতুলনীয় ও অপরিমেয় ৷ তার রচিত বিশ্ব বিখ্যাত গ্রন্থ সমূহের অন্যতম ছিল Why I am not a Christian গ্রন্থটি ৷ রাসেল একজন মানবতাবাদী ব্যক্তিও ছিলেন ৷ তাই বিশ্বব্যাপী সহিংসতা , অন্যায় ,অবিচার , বৈষম্য , শাসকের হাতে শাসিতের অত্যাচার ,উৎপীড়ন ,শোষণ ,বঞ্চনা ; ব্যাক্তিমানুষের অজ্ঞতা , কুসংস্কার , ধর্মান্ধতা ও যুক্তিহীনতার বিরুদ্ধে তিনি কলম ধরেছেন এবং উচ্চকণ্ঠে এসবের প্রতিবাদ করেছেন এবং নিজেও ব্যক্তিগতভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন ৷



কিত্তু ব্যক্তিগত দাম্পত্য জীবনে তিনি প্রথম দিকে শান্তি পান নাই ৷ ৮০ বছর বয়সে তিনি যখন ৪র্থ বিয়ে করেন তখন থেকে পরবর্তি ১৮ বছর তিনি সংসার জীবনে যথেষ্ট সুখ ও শান্তিতে ছিলেন ৷এরই প্রেক্ষাপটে তার ঐ স্ত্রী এডিথের প্রতি ভালবাসা প্রকাশ করে একটি কালজয়ী কবিতা লিখে গেছেন ৷ এই কবিতাটি দিয়েই তার আত্মজীবনী লিখা আরম্ভ করেছেন ৷



বার্ট্রেন্ড রাসেলের ব্যক্তি পরিচয় হচ্ছে -তিনি ১৮৭২ সালের ১৮ মে ব্রিটেনের ওয়েলস -এর ট্রেলেক নামক স্থানে জন্ম গ্রহণ করেন এবং চার বছর বয়সের মধ্যেই পিতা ও মাতা হারিয়ে পিতামহ ও পিতামহীর কাছে মানুষ হন ৷অবশ্য তার পিতামহও তার ৬ বছর বয়সে মৃত্যু বরন করেন । পরে পিতামহী তারে মানুষ করেছিলেন ৷ ইংলেন্ডের এক ঐতিহ্যমন্ডিত পরিবারের বংশধর রাসেলের পিতামহ লর্ড জন রাসেল উনিশ শতকের মধ্যভাগে দুইবার ইংল্যাণ্ডের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন ৷



রাসেল ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিনিটি কলেজ থেকে গণিত ও দর্শনশাস্ত্রে প্রথম শ্রেণী অর্জন করেন এবং ৩১ বছর বয়স থেকে বিশ্বমানের গ্রন্থসমূহ রচনা আরম্ভ করেন ৷



১৮৯৪ সালে ২২ বছর বয়সে এ্যালিস পিয়ারসল স্মীথ কে বিয়ে করেন এবং ১৭ বছর তার সঙ্গে সংসার করার পর তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে ৷ পরে ১৯২১ সালে ডোরা উইনফ্রেড ব্ল্যাককে বিয়ে করেন ৷ সে বিয়ে বেশীদিন ঠিকেনি ৷ তাই ১৯৩৫ সালে মিস প্যাট্রিসিয়া স্পেন্স নামক মহিলার সঙ্গে বিয়ে হয় ৷ কিত্তু তৃতীয় বারের মত এই দাম্পত্য জীবনও রাসেলের টিকে নি ৷ শেষ পর্যন্ত ৮০ বছর বয়সে ১৯৫২ সালে এডিথ ফিন্সকে বিয়ে করেন এবং তাকে নিয়ে তার জীবনের শেষদিন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুখের দাম্পত্য জীবন যাপন করেন এবং ১৮ বছর সুখের সংসার যাপনের পর ৯৮ বছর বয়সে ১৯৭০ সালের ২ ফেব্রুয়ারী বার্ট্রেন্ড রাসেল মৃত্যুকে বরণ করেন ৷


রাসেলের প্রস্তাবিত “Ten Commandments”




(গত শতাব্দীর সর্বর্শেষ্ঠ ভাবুক বার্টান্ড রাসেলের “A Liberal Decalogue” রচনাটির অনুবাদ। একজন উদারপন্থীর নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো থাকা উচিত বলে রাসেল মনে করেন।)


১. কোন ব্যাপারেই পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ো না।


২. চিন্তন প্রক্রিয়ায় কখনোই ‘প্রমাণ’ গোপন করার চেষ্টা করো না, কারণ প্রমাণকে চিরদিন লুকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।


৩. ‘চিন্তা’ করার মানসিকতাকে কখনো নিরুৎসাহিত করো না, কারণ একমাত্র ‘চিন্তা’র মাধ্যমেই সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব।


৪. যখনই তুমি বিরোধিতার মুখোমুখি হবে, এমনকি বিরোধীপক্ষ যদি তোমার স্বামী বা সন্তানও হয়, যুক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবেলা করার চেষ্টা কর, কতৃত্বপ্রয়োগের মাধ্যমে নয়।


৫. অন্যের ‘কতৃত্ব’-র উপর বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধাবোধ রেখো না, কারণ সবসময়ই পরস্পরবিরোধী কতৃত্বের দেখা মেলে।


৬. যেসব মতামত তোমার কাছে ক্ষতিকর বলে প্রমাণিত হয়, তাদেরকে কখনোই বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দমন করার চেষ্টা করো না; কারণ যদি তুমি তা করো তাহলে ওই মতামতগুলোই তোমাকে দমন করে ফেলবে।


৭. তোমার চিন্তাভাবনা ‘অদ্ভূত’ বলে ভীত হয়ো না, কারণ বর্তমানে প্রচলিত সমস্ত চিন্তাভাবনাই একসময় ‘অদ্ভূত’ ছিল।


৮. অপ্রত্যক্ষভাবে মতৈক্যে না পৌছে ভিন্নমত পোষণ করো।


৯. সত্যবাদী হও, এমনকি যদি সত্যটি অপ্রীতিকর হয় তারপরও; কারণ সত্য প্রকাশ করার চেয়ে সত্য লুকিয়ে রাখার চেষ্টাটি আরো বেশি অপ্রীতিকর।


১০. বোকার স্বর্গে বাস করাদের সুখ দেখে হিংসা করো না, কারণ ওই অবস্থাকে সুখ ভাবা একমাত্র ‘বোকা’দের পক্ষেই সম্ভব।



বিবাহ হচ্ছে নারীর জন্য খুব সাধারণ একটি জীবিকা। সম্ভবত এক্ষেত্রে অনিচ্ছা সত্ত্বেও যৌনকর্মের পরিমাণ পতিতাবৃত্তির চেয়ে বেশি।

ঘৃণা তৈরি করলেই প্রচারণা বেশি সফল হয়।



.আমি কখনো নিজের বিশ্বাসের জন্য প্রাণ দেবো না, কারণ সেটি ভুল হতে পারে।

বিশ্বের মূল সমস্যা হচ্ছে বোকা এবং গোঁড়া লোকেরা সব সময় নিশ্চিত থাকে আর জ্ঞানী লোকেরা সব সময় সংশয়ে থাকে।





Patriotism is the willingness to kill and be killed for trivial reasons.



বিবাহ হচ্ছে নারীর জন্য খুব সাধারণ একটি জীবিকা। সম্ভবত এক্ষেত্রে অনিচ্ছা সত্ত্বেও যৌনকর্মের পরিমাণ পতিতাবৃত্তির চেয়ে বেশি।



Marriage is for women the commonest mode of livelihood, and the total amount of undesired sex endured by women is probably greater in marriage than in prostitution.

বারট্রান্ড রাসেল (Bertrand Russell)



ঘৃণা তৈরি করলেই প্রচারণা বেশি সফল হয়।



.আমি কখনো নিজের বিশ্বাসের জন্য প্রাণ দেবো না, কারণ সেটি ভুল হতে পারে।



I would never die for my beliefs because I might be wrong.



বিশ্বের মূল সমস্যা হচ্ছে বোকা এবং গোঁড়া লোকেরা সব সময় নিশ্চিত থাকে আর জ্ঞানী লোকেরা সব সময় সংশয়ে থাকে।



The whole problem with the world is that fools and fanatics are always so certain of themselves, and wise people so full of doubts.



The whole problem with the world is that fools and fanatics are always so certain of themselves, but wiser people so full of doubts.



The trouble with the world is that the stupid are cocksure and the intelligent are full of doubt.



War does not determine who is right - only who is left.



The good life is one inspired by love and guided by knowledge.



Most people would sooner die than think; in fact, they do so.



To be without some of the things you want is an indispensable part of happiness.



To conquer fear is the beginning of wisdom.



Do not fear to be eccentric in opinion, for every opinion now accepted was once eccentric.



I would never die for my beliefs because I might be wrong.



There is much pleasure to be gained from useless knowledge.

এইমাত্র পাওয়া খবর

আপনি কি অনলাইনে ঘরে বসে বিভিন্ন উপায়ে আয় করতে চান?

আপনি কি অনলাইনে ঘরে বসে বিভিন্ন উপায়ে আয় করতে চান?
আপনি কি অনলাইনে ঘরে বসে বিভিন্ন উপায়ে আয় করতে চান?

Dalai Lama জীবনের বিস্ময়কর অজানা তথ্য

Dalai Lama জীবনের বিস্ময়কর অজানা তথ্য
Dalai Lama জীবনের বিস্ময়কর অজানা তথ্য

• আরও সংবাদ বিষয়: