Breking News

সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন । আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন।বিজ্ঞপ্তি: জরুরী সংবাদকর্মী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চলিতেছে…। আপনি কি কম খরচে Website, Bloggersite, Youtube channel, E-commica site তৈরি করতে চান? যোগাযোগ করুন বিস্তারিত : মোবাইল: 01712475454,01940103713 , দেশ - বিদেশের খবর সবার আগে জানতে সাথে থাকুন।আমাদের সংঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ এ রকম আরও ভিডিও/ সর্বশেষ সংবাদ Update News পেতে আমাদের Website /Youtube Channel পেইজে লাইক দিন৷ ❤️ ✌ ✔️ কোন মতামত বা প্রশ্ন থাকলে কমোন্ট করে জানান ।

Monday, February 19, 2018

কৌতুক

বল্টুর আত্বহত্বা ।

বল্টু একদিন রেষ্টুরেন্টে পেপসির বোতল সামনে রেখে উদাস হয়ে বসে আছে... . একটুপর তার বন্ধু তার কাছে এল এবং পেপসি টা খেয়ে ফেললো। . সে বল্টুকে বলল... "কিরে সালা এত উদাস কেনো?" . বল্টু বলল... "আজ ভাগ্যটা খুব খারাপ রে দোস্ত। . সকালে gf এর সাথে Break up. এরপর রাস্তায় গাড়ি টা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অফিসে যেতে দেরি হয় তাই বস্ চাকরি থেকে বের করে দেয়। . এরপর মনের দু:
খে আত্যহত্যা করার জন্য পেপসিতে বিষ মিশালাম, . . . . তাও আবার তুই খেয়ে ফেললি।

কৌতুক - বল্টুর প্রযুক্তি ।

বল্টুর প্রযুক্তি একবার বল্টু, এক আমেরিকান ও এক জাপানি প্লেনে বিদেশ যাইতেছিল। তো যেতে যেতে এক পর্যায়ে হঠাৎ কোথায় যেন বিপ বিপ শব্দ হল। তো আমেরিকান ভদ্রলোক তার হাতের এক যায়গায় চাপ দিতেই বিপ বিপ শব্দ থেমে গেল। আমেরিকান বলতেসে,"আমার হাতের নীচে মাইক্রোচিপ, এখান থেকেই আমার বাসার সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা যায়।" এবার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ ফোনের রিংটোন বেজে উঠলো। জাপানিজ ভদ্রলোক তার কপালে চাপ দিয়ে বলতেসে,"আমার কপালের নীচে মাইক্রোচিপ। চাপ দিলেই কল করা ও রিসিভ করা যায়।" বল্টু চিন্তা করতেসে কি করা যায়, এদের কাছে কিছুতেই হার মানা যাবেনা। তো সে উঠেই টয়লেটে চলে গেল এবং আসার সময় দেখা গেল তার প্যান্টের ভেতর থেকে পিছন দিক দিয়ে বিরাট লম্বা ট্যিসু পেপার ঝুলতেসে। আমেরিকান ও জাপানী তো এই দেখে বলতেসে,"আরে বাহহ, এ আবার কোন প্রযুক্তি?" বল্টুর উত্তর,"ও কিছুনা, ই-মেইল আসছে, প্রিন্ট দিতেছি।"
হাসির_কৌতুক এক মাতাল একদিন অনেক মদ খেয়ে মাতাল হয়ে বাড়িতে ঢুকল| কিন্তু সে ঘরে না ঢুকে ভুল করে গোয়াল ঘরে ঢুকে পড়ল | তারপর গরুর লেজ ধরে বলল … … … … … … … … … … … … … … … … কিগো ময়নার মা ,প্রতিদিন দুটো বেণী কর ,আজ একটা কেনো?

JOKES & জোক্স হাসির জগত্‍



(১) এক শহরে পরকীয়ার খুব চল। কমবেশী সবাই করছে। এরাই আবার চার্চে গিয়ে ফাদারের কাছে কনফেশন করে তারা কি করেছে। বৃদ্ধ ফাদার এইসব শুনতে শুনতে ক্লান্ত। এক রবিবারে তিনি সবাইকে বললেন আর কেউ যদি আমার কাছে পরকীয়ার কথা স্বীকার করে তবে এই শহর আমি ছাড়ছি। শহরের লোকজন আবার ফাদারকে খুবই পছন্দ করে। এরা ভাবল পরকীয়ার নতুন কোন শব্দ বা কোড ব্যবহার করতে হবে। শহরবাসী এরপর থেকে পরকীয়ার জন্য ব্যবহার করতে লাগল “আছাড়”।
” ফাদার! আমি আছাড় খাইছি এই সপ্তাহে……”
নতুন পদ্ধতি খুব ভালো কাজ করে। ফাদার কিছুই টের পাননা।
একদিন বৃদ্ধ ফাদার মারা যান। তার জায়গায় নতুন আর অল্পবয়স্ক একজন ফাদার আসে। সে ত আছাড় খাওয়ার কথা শুনতে শুনতে অবাক। সে গেলো শহরের মেয়রের কাছে।
” মেয়র! আমাদের শহরের রাস্তাগুলো ঠিক করা দরকার। লোকজন প্রচুর আছাড় খাচ্ছে”
মেয়র বুঝলেন বেচারাকে কেউ আছাড়ের মানে বুঝিয়ে দেয় নাই। আর বেকুব ফাদারটা চলে এসেছে সরাসরি তার কাছে। তার হাসি চলে আসল।
ঠিক এমন সময় ফাদার বললেন, “আমি বুঝি না কেনো আপনি হাসছেন??? আপনার বউই ত এই সপ্তাহে তিনবার আছাড় খাইছে”

---

(২) ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে সুন্দরী শিক্ষিকা চাকুরিতে যোগ দিলেন। পড়াতে গিয়েই টের পেলেন,যুগের ছেলেরা পাল্টেছে, অতি স্মার্ট ডিজুস পোলাপান নিয়ে ম্যাডামের বেকায়দা অবস্থা। প্রথম গ্রেডে সদ্য ভর্তি হওয়া বল্টু তো বলেই বসলো, ম্যাডাম,আমি কোনো অবস্থাতেই প্রথম গ্রেডে পড়বোনা। কারণ,প্রথম গ্রেডের সব পড়ালিখা আমি অনেক আগেই শেষ করে ফেলেছি। এমনকি আমার বড় বোন যে ৩য় গ্রেডে পড়ে ,আমি ওর চেয়ে ও স্মার্ট।কাজেই মিনিমাম ,আপনি আমাকে ৩য় গ্রেডে পড়ার সুযোগ করে দিন।
ম্যাডাম, বল্টুকে নিয়ে প্রিন্সিপাল স্যারের রুমে গেলেন। সব খুলে বললেন।
প্রিন্সিপাল স্যার বললেন, ঠিক আছে,আমি তোমাকে দুয়েক টা প্রশ্ন করবো, যদি তুমি ঠিক ঠিক উত্তর দিতে পারো ,তবে তোমাকে উপরের ক্লাশে প্রমোশন দেয়া হবে।
প্রিন্সিপাল স্যার বললেন, আচ্ছা বলতো রাজু, ৩ গুন ৩ = কত?
বল্টুর জটপট জবাব, স্যার , নয়।
আচ্ছা বলতো ৮ গুন ৮ সমান কত?
এবারও বল্টুর জবাব স্যার ৬৪।
প্রিন্সিপাল স্যার ম্যাডামকে বললেন, রাজুকে উপরের ক্লাসে প্রমোশন দেয়া যায়।
রূপবতী ম্যাডাম এবার প্রিন্সিপাল স্যার কে বললেন, স্যার আমারও কিছু প্রশ্ন ছিলো, যদি আপনি অনুমতি দেন,আমিও একটু ওর মেধা যাচাই করি। প্রিন্সিপাল স্যার এবার মাথা নেড়ে সায় দিলেন। ম্যাডাম , বল্টুকে প্রথম প্রশ্ন করলেন-আচ্ছা বল্টু বলতো, গাভীর চারটা আছে,কিন্ত আমার আছে দুটো। সে টা কি?
বল্টু চুপচাপ চিন্তা করছে,আর মিটিমিটি হাসছে।
ম্যাডাম বললেন,লজ্জা পাবার দরকার নেই বল্টু । তুমি সঠিক জবাব দিও।
বল্টু বললো, ম্যাডাম, এটা হলো-আপনার দুই পা।
ম্যাডাম এবার ২য় প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা এবার বলতো, তোমার প্যান্টের ও জায়গায় আছে,আর আমার তা নেই সেটা কি?
বল্টু লাজে হাসে।
ম্যাডাম বলেন, লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই বল্টু।
রাজু বলেন, ম্যাডাম এটা হলো, আমার প্যান্টের পকেট।
ম্যাডামের পরের প্রশ্নঃ আচ্ছা, বলতো,এমন একটি শব্দ যা ইংরেজে লেটার C দিয়ে শুর আর T দিয়ে শেষ। জিনিসটা গোলাকার, ডিলিশাস,ভেতরে ভেজা ভেজা, আর নরম,যা পেলে সবাই তৃপ্ত হয়।
প্রশ্ন শুনে প্রিন্সিপাল স্যারের চোখ বড় বড় হয়ে গেলো। কি বলবেন ভেবে পাচ্ছেন না। চেহারা পুরো লাল হয়ে গেছে।
বল্টু বললো, ম্যাডাম এটা হলো Cocunut.
ম্যাডের পরের প্রশ্নঃ আচ্ছা এবার বলোতো, যা খুব শক্ত হয়ে কারো ভিতরে ঢুকে, আর নরম, ভেজা,আঠালো হয়ে বের হয়ে আসে?
বল্টুর জবাব, ম্যাডাম এটা হলো বাবল গাম।
ম্যাডামঃ আচ্ছা এবার বলোতো, কোন শব্দ ইংরেজি F দিয়ে শুরু আর K দিয়ে শেষ। যে শব্দ শুনলেই শরীরে যথেষ্ট উত্তাপ আর উত্তেজনা শুরু হয়-
এ প্রশ্ন শুনে প্রিন্সপাল স্যারের আবারো, লজ্জাকর অবস্থা ।
কিন্ত বল্টুর উত্তর ,ম্যাডাম এটা হলো Fire Truck.
ম্যাডামঃ বলোতো কোন শব্দ ইংরেজি F দিয়ে শুরু আর K দিয়ে শেষ। যা মানুষ না পেলে হাত ব্যবহার করে।
বল্টুর জবাব-ম্যাডাম এটা হলো-Fork.
ম্যাডামঃ বল্টু বলতো সোনা, এ জিনিসটা কারো লম্বা, আবার কারো ছোট, একেক জনের একেক সাইজের হয়।বিয়ে করার পর জামাই আদর করে বউকে দিয়ে থাকে।
বল্টুর জবাব–ম্যাডাম এটা হলো ডাকনাম।
ম্যাডামঃ বল্টু বলতো এটা পুরুষের শরীরে কোন অংশ যেখানে কোনো হাড় নেই,তবে অনেক শিরা আছে, এক রকমের মাংসপিন্ডের সমষ্টি, উত্তেজনাকর অবস্থায় বেশী অনুভূত হয়। বিশেষ করে যা দিয়ে ভালোবাসা বাসি বুঝা যায়।
বল্টুর জবাব, ম্যাডাম এটা হলো হার্ট বা হৃদয়।
শুনার পর প্রিন্সিপাল স্যার যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। ম্যাডাম কে বললেন ওকে ৮ গ্রেডেই প্রমোশন দেয়া হোক। কারণ শেষের কয়েকটি প্রশ্নের জবাব আমি নিজেই ভুল করেছি।

(৩) আরাম খানের পোলা বল্টু। বল্টু একদম নামাজ পড়ে না। আরাম বল্টুকে অনেক বুঝালেন। কিছুতেই কাজ হলোনা। শেষমেষ আরাম বল্টুকে বললেন।
: বল্টু এখন থেকে নামাজ পড়লে তোকে ৫টাকা করে দিব।
বল্টু তো কথা শুনে মহা খুশি। সে খুশিমনে নামাজ পড়তে গেল। নামাজ পড়ে এসে আব্বাকে বললো,
: আব্বা, নামাজ পড়ে এসেছি। এবার টেকা দাও।
: কিসের টাকা? তুই নামাজ পড়ছিস নেকী পাইছিস। তোকে আবার টাকা দেব কেন?
: আব্বা, আমি জানতাম তুমি এইরকম করবা। আমিও কম যাইনা। আমি নামাজ ঠিক-ই পড়ছি। কিন্তু ওজু করি নাই।



(৪) আরাম খানের ছেলে বল্টু একদিন তার বাবাকে জিজ্ঞাস করছে, “বাবা, মেয়েদের কত রকমের বুক আছে?”
আরাম খান একটু বিব্রত হলেও ছেলেকে শেখানোর স্বার্থে বললো, তিন রকমের বুক আছে।
২০ – ৩০ বছর বয়সে তাদের বুক থাকে লেবুর মতো, গোল আর মজবুত।
৩০ – ৪০ বছর বয়সে তাদের বুক থাকে নাশপাতির মতো, তখনও সুন্দর দেখায় কিন্তু একটু ঝুলে যায়।
৪০ -৫০ বছর বয়সে তাদের বুক হয় পেঁয়াজের মতো।
- পেঁয়াজের মতো? ছেলে অবাক।
- হ্যাঁ, যদি সেগুলো দেখো, তোমার কান্না পাবে।

(৫) আরাম খান আর তার স্ত্রী গিয়েছেন তাদের হানিমুনে। বউ যখন এলিভেটরের দিকে রওনা হল, খুব সুন্দর একটি মেয়ে আরাম খান কে জিজ্ঞেস করলেন তার কোন স্পেশাল চাহিদা আছে কিনা, কোনরকম দরকার হলে যেন ডেস্কে তিনি জানাতে না ভুলেন। স্ত্রী দূর থেকে মেয়েটিকে দেখে আর তার কথা শুনে খুবই মুগ্ধ হলেন। এলিভেটরে উঠতে উঠতে বললেন, এই বিদেশীদের হোটেল কত ভাল, ব্যবহার কত ভাল…সবার দিকে কী খেয়াল রাখে! আরাম খান বললেন, আরে না…এই মেয়েটি একটি প্রস্টিটিউট।
স্ত্রী কিছুতেই স্বামীর একথা বিশ্বাস করলেন না। রুমে ঢুকে তিনি স্বামীকে, প্রমাণ করতে বললেন। আরাম খান বললেন, আচ্ছা ঠিকাছে। আমি ডেস্কে ফোন করে মেয়েটিকে পাঠাতে বলছি…তুমি লুকিয়ে থাক।
মেয়েটি রুমে এসেই আরাম খানকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কী চান। আরাম খান ঘাঘু লোক…সরাসরি বললেন, তিনি খুব একা বোধ করছেন, তার সঙ্গী চাই। মেয়েটি বলল, আমার একরাতের চার্জ ১৫০ ডলার। আরাম খান বললেন, অনেক বেশি চাইছ। আমি ২৫ ডলার পর্যন্ত দিতে পারি। মেয়েটি অপমানিত বোধ করে চলে গেল।
বউ অবাক হলেন; স্বামীর বুদ্ধিমত্তায় আকৃষ্ট হয়ে তিনি স্বামীকে সোহাগে-আদরে ভরিয়ে দিলেন। কিছুক্ষণ পর, তারা গেলেন হোটেলের নীচতলায় ডিনার করতে। তারা ডিনার করে রুমে ফেরত যাচ্ছেন, এমন সময় আবার সেই মেয়েটির সাথে দেখা। মেয়েটি দেখেই তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে আরাম খানকে বললেন, দেখ ২৫ ডলারে তোমার কী জুটেছে!

(৬) এক লোক বারে গিয়ে বিয়ার খেতে থাকলো। এক সময় তার পাশে খুব সুন্দরী একটা মেয়ে এসে বসলো। তো বারে সুন্দরী মেয়ে দেখে লোকটার খুব ইচ্ছা হলো মেয়েটিকে চেখে দেখার!
প্রথম স্টেপ হিসেবে সে মেয়েটিকে ড্রিংক্স অফার করলো। কিন্তু মেয়েটির প্রতিক্রিয়া হলো দেখার মতো।
মেয়েটি সবার সামনে চিৎকার করে বলে উঠলো, “কি! আপনি আমার সাথে সেক্স করতে চান?! কক্ষনো না!!”
এই কথা বলে মেয়েটি বেরিয়ে গেলো।
লোকটি তো পুরা ভ্যাবাচেগা খেয়ে গেল! বারের সবাই তার দিকে তাকিয়ে ছিল। সে চরম লজ্জিত হলেও কিছুই হয়টি এমন ভাব নিয়ে বসে বসে বিয়ার খেতে লাগলো।
একটু সময় পর সেই মেয়েটি আবার ফিরে এসে তার পাশে বসলো।
মেয়েটি বললো, “একটু আগের ঘটনাটির জন্য দুঃখিত। আসলে আমি সাইকোলজির স্টুডেন্ট। আমি দেখতে চাইছিলাম মানুষ চরম লজ্জাজনক অবস্থায় পড়লে কি করে।”
এবার লোকটি চিৎকার করে বলে উঠলো, “কি!! শুধুমাত্র ১বার ব্লো-জবের জন্য ২০০ ডলার!! মগের মুল্লুক পাইছো??”

(৭) পিটার তার বন্ধু ববের সাথে নৌকায় ঘুরতে বের হলো। হঠাৎ প্রচন্ড ঝড় উঠলো। তারা কোনরকমে তীরের কাছে একটা ফার্ম হাউজে এসে উঠলো। দরজায় ধাক্কা দিতে একজন সুন্দরী মহিলা দরজা খুললো। দুই বন্ধু রাতে থাকার জন্য তার কাছে আশ্রয় চাইলো।
‘কিছুদিন হলো আমার স্বামী মারা গেছেন।’ মহিলা বললো। ‘আমি তোমাদের বাড়িতে জায়গা দিলে লোকে নানা কথা বলবে।’
‘ঠিক আছে, ম্যাম। আমরা বুঝতে পেরেছি। আমরা আস্তাবলে শুতে পারবো।’ পিটার বললো।
মহিলা তাতে রাজি হলেন। এবং দুই বন্ধু আস্তাবলে শুয়ে পড়লো।
পিটার ঘুমিয়ে পড়লে বব মাঝ রাতে মহিলার রুমে গেল। পরে ভোরে আবার এসে পিটারের কাছে শুয়ে পড়লো। পিটার কিছুই টের পেল না।
নয় মাস পর, পিটার সেই বিধবা মহিলার উকিলের কাছ থেকে একটা চিঠি পেলো। বন্ধু ববের কাছে গিয়ে বললো, ‘মনে আছে, আমরা কয়েক মাস আগে এক ফার্ম হাউজে এক সুন্দরী বিধবার দেখা পেয়েছিলাম?’
‘হ্যাঁ, মনে আছে।’
‘তুই কি ঐ রাতে ঘুম থেকে উঠে মহিলার সাথে কিছু করেছিলি?’
‘হ্যাঁ, স্বীকার করি, করেছিলাম।’
‘তুই কি তখন তাকে নিজের নাম না বলে আমার নাম বলেছিলি?’
‘দোস্ত, মাফ করে দে। আমার ভুল হয়ে গেছে।’ ধরা পড়ে বব বললো।
‘না-রে, বরং তোকে ধন্যবাদ জানাতে এসেছি।’ পিটার হেসে বললো। ‘ঐ বিধবা কয়েকদিন আগে মারা গেছে আর সব সম্পত্তি আমার নামে করে গেছে।’



(৮) আরাম খান গিয়েছিল একটা কথা বলা টিয়া পাখি কেনার জন্য। অনেক খুঁজে শেষে পেল একটা টিয়া পাখি, পাখিটা তাকে দেখে বলল “লাল লাল লাল!”
আরাম ভাবল আরে আমি তো লাল আন্ডারওয়ার পরেছি টিয়া টা জানল কি ভাবে।
তাই সে পরের দিন কালো আন্ডারওয়ার পরে আবার পাখিটার সামনে আসলো, এবার পাখিটা তাকে দেখে বলল “কালো কালো কালো!”
সে ভাবল কি করা যায় ।
পরের দিন সে আন্ডারওয়ার ছাড়াই আসল ।
এবার পাখি টা তাকে দেখে বলল, “শামুক! শামুক!”

(৯) দুই বন্ধুর কথোপকথোন,
১ম বন্ধু: “কিরে কি হয়েছে? এত বিমর্ষ লাগছে কেন?”
২য় বন্ধু: “তোর নিশ্চয়ই স্যালির কথা মনে আছে?”
১ম: “সেই মেয়েটি তো যাকে দেখলেই তোর ঐটা খাড়া হয়ে যায়?!”
২য়: “ফাজলামি করিস না! আমি ওকে খুবই পছন্দ করি!”
১ম: “জানি। কি হয়েছে তাই বল।”
২য়: “না মানে ওকে দেখলেই আমার ওটা দাঁড়িয়ে যায় বলে তো আমি ওর সামনেই যেতে পারতাম না লজ্জায়”
১ম: “হুমম।”
২য়: “তো আমি ওকে ফোন করে বাইরে খেতে যেতে বলি। আশ্চর্য হলো ও সাথে সাথেই রাজি হয়ে যায়!”
১ম: “আমি তো আগেই বলেছিলাম যে ও তোকে পছন্দ করে! বিশ্বাস হলো তো?”
২য়: “যাই হোক, ঐ দাঁড়িয়ে যাওয়া সমস্যার হাত থেকে বাঁচার জন্য আমি ওর বাসায় যাওয়ার আগে আমার ওটাকে ডান পায়ের সাথে টেপ দিয়ে খুব ভাল করে আটকিয়ে নিয়ে যাই!”
১ম: “বলিস কি!! তারপর?”
২য়: “আমি স্যালির বাসায় গিয়ে বেল বাজালাম। স্যালিই দরজা খুলে দিলো!”
১ম: “তারপর?”
২য়: “স্যালি পড়ে ছিল টকটকে লাল রংয়ের শর্টস্কাট!”
১ম: “এরপর কি হলো?”
২য়: “আর কি হবে! আমার পায়ের শক্ত লাথি খেয়ে স্যালি এখন হাসপাতালে! সামনের পাটির ৪টা দাঁত পড়ে গেছে ওর; লাথি খেয়ে! আমার আর প্রেম করা হলো না রে…!”

(১০) এক লোক পার্টি দিয়ে তার বন্ধুদের বললো, আমার সুইমিং পুলটা জাদুর। সুইমিং পুলে নেমে যে তরল আবুলর্থের নাম করবে পুরো পুলের পানি সেই আবুলর্থ হয়ে যাবে।
তার এক বাঙালি বন্ধু পুলে নেমে বললো, কোক। সাথে সাথে পুরো পুলের পানি কোকে পরিবর্তন হয়ে গেলো। সে প্রাণ ভরে কোক খেয়ে উঠে এলো।
এবার তার এক রাশিয়ান বন্ধু নেমে বললো, ভদকা। সাথে সাথে পুরো পুলের পানি ভদকায় পরিবর্তন হয়ে গেলো। সে প্রাণ ভরে ভদকা খেয়ে উঠে এলো।
এবার তার এক আমেরিকান বন্ধু ঝাঁপ দিতেই বাঙালিটি তাকে মনে করিয়ে দিলো, আরে, তোমার পকেটে তো মোবাইল ফোনটা রয়ে গেছে।
আমেরিকান বললো, শিট!

Thursday, February 15, 2018

কালীদাস পন্ডিতের ধাঁধা


কালীদাস পন্ডিতের ধাঁধা


কালিদাস পন্ডিতের
ধাধা ১০ টির উত্তর :
১।
কালিদাস পণ্ডিতে কয়
বাল্যকালের
কথা,
নয় হাজার তেঁতুল গাছে কয়
হাজার
পাতা।
উত্তরঃ আঠার হাজার পাতা
(গাছ যখন ছোট থাকে তখন
তার দুইটা পাতা থাকে ।
এতএব ৯০০০×২=১৮০০০)
২।
শুইতে গেলে দিতে হয়,
না দিলে ক্ষতি হয়,
কালিদাস পন্ডিত কয়
যাহা বুঝেছ
তাহা নয়।
উত্তরঃ দরজার খিল
(আশা করি কি ক্ষতি হতে পারে বুঝতে পেরেছেন)
৩।
চক থেকে এল সাহেব কোর্ট
প্যান্ট পরে,
কোর্ট প্যান্ট খোলার
পরে চোখ
জ্বালা করে।
উত্তরঃ পেঁয়াজ
(বিস্তারিত বলার দরকার
আছে কি )
৪।
পোলা কালে বস্ত্রধারী যৌবনে উলঙ্গ,
বৃদ্বকালে জটাধারী মাঝখানে সুড়ঙ্গ।
উত্তরঃ বাঁশ
(জানি এর বিস্তারিত
বলতে হবে না)
৫।
বাঘের মত লাফ দেয়, কুকুর
হয়ে বসে,
পানির
মধ্যে ছেড়ে দিলে সোলা হয়ে ভাসে।
উত্তরঃ ব্যাঙ
(এটার উত্তর অনেকেই
পেরেছেন)
৬।
হাসিতে হাসিতে যায়
নারী পর
পুরুষের কাছে,
যাইবার সময়
কান্নাকাটি ভিতরে গেলে হাসে।
উত্তরঃ মেয়েদের হাতের
চুড়ী
৭।
আমি তুমি একজন দেখিতে এক
রুপ,
আমি কত কথা কই তুমি কেন
থাক চুপ।
উত্তরঃ নিজের ছবি
(এটার উত্তর ৮০% ফ্যান
ঠিক বলেছেন)
৮।
কালিদাস পন্ডিতের ফাঁকি,
আড়াইশ থেকে পাঁচ পঞ্চাশ
গেলে
আর কত থাকে বাকী।
উত্তরঃ কিছুই না, শূন্য
(বলার প্রয়োজন
আছে বলে মনে হয় না )
৯।
শোন ভাই কালিদাসের
হেয়ালীর ছন্দ,
দরজা আছে হাজারটা তবু কেন
বন্ধ।
উত্তরঃ মশারী
(দরজা তো হাজার টাই )
১০।
শুভ্রবাসান দেহ তার,
করে মানুষের অপকার।
চিতায় তারে পুড়িয়া মারে,
তবু সে উহ আহ না করে।
উত্তরঃ সিগারেট
(আপনারা অনেকেই গাছ
বলেছিলেন । কিন্তু গাছ
মানুষের অপকার করে না



কালিদাস পণ্ডিতের ধাঁধাঁ - ১
লিখেছেন: সাহাদাত উদরাজী | মার্চ ৯, ২০১১ - ৬:৩২ অপরাহ্ন


কবি কালিদাস আমাদের কাছে 'কালিদাস পণ্ডিত' নামে বেশী পরিচিত। ‘কালিদাস পণ্ডিত’ কে আপনারা সবাই জানেন। কালিদাস পণ্ডিতকে নূতন করে পরিচয় করে দিয়ে আমি নিজে 'পন্ডিত' সাজতে চাই না। নেট তথা গুগুল টাইপ প্রোগ্রামগুলোই এখন বিরাট বিরাট পন্ডিত! কিছু জানতে হলে লিখে সার্চ করলেই হল। ‘কালিদাস পণ্ডিত’ লিখে সার্চ করে কালিদাস পন্ডিত প্রসঙ্গে জানুন। কালিদাস ছিলেন ধ্রুপদি সংস্কৃত ভাষার এক বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার। কালিদাস প্রাচীন যুগের ভারতীয় কবি। তিনি সংস্কৃত ভাষার শ্রেষ্ঠ কবিরূপে পরিচিত। যদিও তাঁর জীবনকাহিনী সম্পর্কে বিশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না।


(কালিদাস পন্ডিতের আনুমানিক ছবি, হাতে আঁকা)

আমার মনে প্রশ্ন ছিল কবি কালিদাসকে কেন কালিদাস পন্ডিত বলা হয়! সংস্কৃত ভাষায় তিনি যে পন্ডিত ছিলেন এতে মনে কোন সন্দেহ নাই। তারপর আরো যতদুর বুঝতে পারলাম, তার উপস্থিত বুদ্দির জন্যও তিনি পন্ডিত হতে পারেন। হতে পারেন তার ধাঁধাঁ লিখার জন্য! ধাঁধাঁ মানেই তো কালিদাস পণ্ডিত!

কালিদাস পণ্ডিতের একটা উপস্থিত বুদ্দির নমুনা কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক জনাব মোস্তফা কামালের (মেইল করে জানিয়েছি) লেখা থেকে আপনাদের জন্য তুলে দিলাম।


কালিদাস পণ্ডিত বিয়ে করেছিলেন রাজা বিক্রম আদিত্যের মেয়েকে। রাজার আরো কয়েকটি মেয়ে ছিল। তিনি মেয়েদের যাঁদের কাছে বিয়ে দিয়েছিলেন তাঁরা সবাই ছিলেন পণ্ডিত মানুষ। পণ্ডিতদের মধ্যে সবার সেরা ছিলেন কালিদাস পণ্ডিত। তাঁর সঙ্গে বিদ্যা-বুদ্ধিতে কেউ পারতেন না। কিন্তু তাঁরা সবাই মিলে কালিদাস পণ্ডিতকে বেশ বিপাকে ফেললেন। ঈর্ষাপরায়ণ হয়েই তাঁরা এটা করেছিলেন। তাঁরা সবাই বললেন, 'ঠিক আছে, আমরা মানলাম কালিদাস খুব বড় পণ্ডিত। কিন্তু তাঁর বাবা কে? আমরা তাঁর বাবাকে দেখতে চাই।'

সবাই যখন আবদার করলেন তখন তো দেখাতেই হয়। তিনি তাঁর বাবাকে নিয়ে রাজদরবারে হাজির হলেন। কালিদাস পণ্ডিতের বাবা ছিলেন মূর্খ মানুষ। তিনি বেফাঁস কিছু বলে ফেলেন কি না তাই কালিদাস পণ্ডিত তাঁর বাবাকে বলে রেখেছেন, তিনি যেন ভগবান ছাড়া আর কিছুই না বলেন।

রাজদরবারে বড় বড় পণ্ডিত বসে আছেন। তাঁদের সামনে বাবাকে নিয়ে হাজির হলেন কালিদাস পণ্ডিত। সবাই তাঁকে নানা কথা জিজ্ঞাসা করেন। কালিদাস পণ্ডিতের বাবা ছেলের শেখানো বুলি এর মধ্যেই ভুলে গেছেন। কী আর করা! তিনি শুধু বললেন, ভক্কর-ভক্কর।
এ কথা শুনে সবাই হাসাহাসি শুরু করলেন।

কালিদাস পণ্ডিত লজ্জায় একেবারে লাল! বাবার কারণে নাক কাটা যাবে! তা তো কিছুতেই হতে পারে না। পরে কালিদাস পণ্ডিত বুদ্ধি খাটিয়ে বললেন, আপনারা হাসছেন কেন? আপনারা তো বুঝতেই পারেননি বাবা কী বলেছেন?

সবাই তখন জানতে চাইলেন, কী বলেছেন?

বাবা বলেছেন, ভক্কর। এর মানে হচ্ছে, ভ-তে ভগবান, ক-তে কৃষ্ণ আর র-তে রাধা।
সবাই তখন বিস্ময়ের দৃষ্টিতে তাঁর দিকে তাকালেন। আর এভাবেই লোকলজ্জা থেকে রক্ষা পেলেন কালিদাস পণ্ডিত।

একেই বলে উপস্থিত বুদ্দি! বাংলাদেশে এক মাত্র ভাল উপস্থিত বুদ্দি রাজনীতিবিদের মাঝেই দেখা যায়! যারা ক্ষমতায় থাকে তাদেরই বেশী বেশী থাকে! ভাল উপস্থিত বুদ্দি থাকা লোক কখনো বেকার থাকে না!

কালিদাস পণ্ডিতের ধাঁধাঁ গুলো আসাধারন। তবে এসব ধাঁধাঁ তিনি সংস্কৃত ভাষাতেই লিখেছিলেন বলে প্রতীয়মান হয়, কারন সেই যুগে বাংলা ভাষার এমন রুপ ছিল বলে মনে হয় না! কিন্তু এগুলো বাংলা করলো কোন সব পন্ডিত! এসব পন্ডিতদের নাম ইতিহাস আর মনে রাখে নাই উপরি এখনো কেহ ধাঁধাঁ লিখলে সেটাও কালিদাস পন্ডিতের নামে হয়ে যায়!

গত কয়দিনে কালিদাস পণ্ডিতের বেশ কিছু ধাঁধাঁ পড়েছি। আপনাদের জন্য তা থেকে ১০টা পেশ করছি। দেখি আপনারা কে কে জবাব দিতে পারেন। প্রতিটি পারার জন্য ১ নাম্বার পাবেন। চলুন ধাঁধাঁতে চলে যাই!


১।
কালিদাস পণ্ডিতে কয় বাল্যকালের কথা,
নয় হাজার তেঁতুল গাছে কয় হাজার পাতা।
২।
শুইতে গেলে দিতে হয়, না দিলে ক্ষতি হয়,
কালিদাস পন্ডিত কয় যাহা বুঝেছ তাহা নয়।
৩।
চক থেকে এল সাহেব কোর্ট প্যান্ট পরে,
কোর্ট প্যান্ট খোলার পরে চোখ জ্বালা করে।
৪।
পোলা কালে বস্ত্রধারী যৌবনে উলঙ্গ,
বৃদ্বকালে জটাধারী মাঝখানে সুড়ঙ্গ।
৫।
বাঘের মত লাফ দেয়, কুকুর হয়ে বসে,
পানির মধ্যে ছেড়ে দিলে সোলা হয়ে ভাসে।
৬।
হাসিতে হাসিতে যায় নারী পর পুরুষের কাছে,
যাইবার সময় কান্নাকাটি ভিতরে গেলে হাসে।
৭।
আমি তুমি একজন দেখিতে এক রুপ,
আমি কত কথা কই তুমি কেন থাক চুপ।
৮।
কালিদাস পন্ডিতের ফাঁকি,
আড়াইশ থেকে পাঁচ পঞ্চাশ গেলে
আর কত থাকে বাকী।
৯।
শোন ভাই কালিদাসের হেয়ালীর ছন্দ,
দরজা আছে হাজারটা তবু কেন বন্ধ।
১০।
শুভ্রবাসান দেহ তার,
করে মানুষের অপকার।
চিতায় তারে পুড়িয়া মারে,
তবু সে উহ আহ না করে।

ধাঁধাঁ ৯ ও ১০ নংটা নিয়ে আমার অভিমত - এগুলো কালিদাস পণ্ডিতের হতে পারে না! হা হা হা...। আরো অনেক আছে, আপনাদের উৎসাহ পেলে আরো পোষ্ট দেয়া যাবে!

বাংলার সেরা কৌতুক সমগ্র


চেহারা থার্ডক্লাশের

এক মেয়ে ট্রেনে টিকিট ছাড়া উঠছে....
ট্রেন এর গার্ড আসছে টিকিট চেক করতে ।
গার্ডঃ - টিকিট দেখি ।
মেয়েঃ - আমার চেহারাই তো টিকিট।
গার্ড্ঃ- জরিমানা লাগবে। জরিমানা দিন।
মেয়েঃ - কেনো ?
গার্ডঃ কারণ আপনি ফাস্ট ক্লাসে বসেছেন আর আপনার
চেহারা হলো থার্ডক্লাসের

স্টুডেন্ট অফ দ্যা ইয়ার

কেরামত পরিক্ষা দিচ্ছে।
প্রশ্ন-নিউটনের সুত্রের বিবরন দাও।
কেরামতের উত্তর ঃ- একদিন নিউটন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন।তিনি দেখলেন একটি ছাগল তার সামনে দিয়ে যাচ্ছে।তিনি ছাগলটিকে থামালেন ব্যস আবিষ্কার হয়ে গেল প্রথম সুত্র কোন কিছু না থামালে তা চলতেই থাকে।
এরপর তিনি F বল নিয়ে ছাগলকে লাথি মারলেন।ছাগল বলে উঠল ম্যা (MA)।
আবিষ্কার হয়ে গেল দ্বিতীয় সুত্র
F=MA.
এবার তিনি ছাগলকে আরো জোরে লাথি দিলেন।ছাগল তাকে এবার তার শিং দিয়ে গুতো দিল।
তখন তিনি একটি কথা বুঝতে পারলেন যা তার ৩ নম্বর সুত্র।
প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রীয়া আছে।
ছার খাতা দেখে অজ্ঞান ।


বুয়া ভয়ংকর

কাজের বুয়াঃ আপা এই নেন আপনার শাড়ি। এই শাড়ি আমি আর পরতাম না।
গৃহ কর্তিঃ কেন পরবা না? শাড়িটা অনেক দামি, আর বেশীদিন হয়নাই শাড়িটা আমি পরছি।
কাজের বুয়াঃ ঘটনা সেইটা না।
গৃহ কর্তিঃ ঘটনা তাইলে কি?
কাজের বুয়াঃ আপনার এই শাড়ি পইরা কাজ করতে ছিলাম। ভাইজান আমারে আপনি মনে কইরা ধারে কাছে ঘেঁষলই না একদম।
গৃহ কর্তিঃ কি????? এত্ত বড় কথা!!!!!!!!!
কাজের বুয়াঃ আরে রাখেন, কথাত এখনও শেষই হইল না। আমি যখন এই শাড়ি পইরা কাজ করতে ছিলাম, আপনাদের গাড়ির ড্রাইভার আমারে আপনি মনে কইরা জাপটাই ধরছিল।
গৃহ কর্তিঃ (থতমত খেয়ে) আচ্ছা ঠিক আছে, তোমাকে আমি নতুন শাড়ি কিনে দিবনে, কেমন!!!!!!!!!!!!
বাচ্চা ভয়ংকর

বাবাঃ কিরে কাঁদছিস কেন?
ছেলেঃ ঐ বুড়ো লোকটার
পায়ে পাড়া মেরেছিলাম।
বাবাঃ সে কি! উনার
কাছে ক্ষমা চাসনি?
ছেলেঃ হ্যাঁ চেয়েছি।
বাবাঃ তবু মারলো?
চলতো গিয়ে দেখি।
বাবা বুড়োকে গিয়ে বললঃ কি ব্যাপার
চাচা, ছেলেটা আপনার
কাছে ক্ষমা চাইলো,
তাও ওকে এভাবে মারলেন?
বুড়োঃ সাধে কি আর মারছি??
তোমার পোলায় আমার
পায়ে পাড়া দিয়া সরি কইলো।
আমিতার
ভদ্রতায়
খুশি হইয়া তারে ১০টা টাকা দিলাম।


হারামজাদা টাকার লোভে আবার
আমার
পায়ে পাড়া মারলো !!!

আন্টি হয় আন্টি
মিলিটারী একাডেমীতে ট্রেনিং চলছে ...
OFFICER , ক্যাডেট
পল্টুকে কে জিজ্ঞেস করল :
"তোমার হাতে এটা কি ?"
পল্টু : "Sir, এটা বন্দুক ...!"
OFFICER : "না ! এটা বন্দুক না !
এটা তোমার ইজ্জত ,
তোমার গর্ব , তোমার মা হয় মা !"
,
,
,
,
তারপর Officer দ্বিতীয় ক্যাডেট
বল্টুকে জিজ্ঞেস
করল :
"তোমার হাতে এটা কি ?"
,
,
,
বল্টু : "Sir, এটা পল্টুর মা , ওর ইজ্জত ,
ওর
গর্ব ! আমাদের আন্টি হয় আন্টি !

হারানো ফোন

এক মেয়ে তার ফোন হারায় ফেলছে। সে মন খারাপ করে তার বাসায় ফিরে গেলো।
তারপর সে কি মনে করে তার ফোনে কল দিলো যে কেউ ধরে কিনা।
এক ছেলে ফোন ধরলো.....
ছেলে : হ্যালো ! কে বলছেন..?
মেয়ে : আমি এই ফোন টার
মালিক, যেটা দিয়ে আপনি কথা বলছেন।
ছেলে : জি, আমি আপনাকেই খুঁজছিলাম। যাক, অবশেষে আপনাকে পাওয়া গেলো।
মেয়ে (খুশি হয়ে) : আপনি এতো ভালো যে আমাকেফোনটা ফেরত দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন..?
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ছেলে : আরেহ না...না, আমার এটার চার্জার টা দরকার,
সেটাও দয়া করে একদিনরাস্তায় ফেলে দিয়ে যাবেন।

স্ত্রী বেহুস

স্ত্রী :- হ্যালো!
স্বামী :- হ্যালো!
স্ত্রী :- অফিস ছুটি হইছে না? এত দেরি কেন? তুমি কই?
স্বামী :-তোমার কি মনে আছে গত ঈদে তুমি একটা নেকলেস পছন্দ করেছিলে।
:
স্ত্রী :- (খুশিতে লুতুপুতু হয়ে) হ্ মনে আছে। কেনো জানু?
:
স্বামী :- তুমি বলেছিলে ওটা কেনার জন্য তোমার অনেকশখ।
:
স্ত্রী :- হুম !তোমার মনে আছে তাহলে।
স্বামী :- মনে আছে দোকানদার অনেক দাম চেয়েছিল?
:
স্ত্রী :- হুম !
স্বামী :- এত টাকা আমার কাছে ছিল না।
স্ত্রী :- হুম।
স্বামী :-বলে ছিলাম পরে কিনে দিবো।
স্ত্রী :-হ্যাঁ।
স্বামী :- আরে ঐ যে নিচ তলার বড়দোকানটা।
:
স্ত্রী :- আরে বাবা মনে আছে তো। .....
:
স্বামী :- আমি ওই
দোকানের
পাশের ছোট চায়ের
দোকানে বসে চা খাচ্ছি
:
স্ত্রী:বেহুশ






চাঁদে জল নেই

আমাদের পচাদা গেছে সুলভ শৌচালয়ে। শৌচালয়ের ভিতরে ঢোকার পর পচাদার নজরে পড়লো যে সামনের দেওয়ালে কেউ লিখে গেছে -
"দুনিয়াটা কোত্থেকে কোথায় চলে গেছে, মানুষ চাঁদে পা রেখেছে, আর তুই ... তুই এখনো এখানেই বসে আছিস?"কাজকর্ম সেরে বেরিয়ে আসার আগে পচাদা ওই লাইনের ঠিক তলায় লিখে দিয়ে এলো,

"চাঁদে গেছিলাম ভাই, কিন্তু ওখানে জল নেই, তাই এখানেই বসে আছি!"


বিয়ের আগে চুমু



স্বামীঃ আচ্ছা বিয়ের আগে তোমাকে কেউ চুমু খেয়েছিলো?

স্ত্রীঃ একবার পিকনিকে গিয়েছিলাম | সেখানে আমাকে একা পেয়ে একটা ছেলে ছোরা বের করে বলেছিলো, যদি চুমু না খাও, তাহলে খুন করে ফেলবো |

স্বামীঃ তারপর তুমি চুমু খেতে দিলে?

স্ত্রীঃ দেখতেই পাচ্ছো, আমি এখনও বেঁচে আছি |



১ম সেক্স্



ছেলে: বাবা আমি আজকে ১ম সেক্স্ করলাম

বাবা: ভালো..তুই তো খুব এডভান্সড..আমি করেছিলাম কলেজে উঠে। তা বাবা কার সাথে করলি?

ছেলে: আমার টিচার এর সাথে

বাবা: খুব ভালো..আয় কোলে আয়

ছেলে: না বাবা, আমার পাছা ব্যাথ্যা



চারিত্রিক সার্টিফিকেট



: কমিশনার সাহেব বাসায় আছেন ?

: কেন ?

: আমার একটা চারিত্রিক সার্টিফিকেট দরকার |

: তিন মাস পরে আসেন, উনি নারীঘটিত কেসে ছয় মাসের জন্য জেলে আছেন



মুরগির ব্রেস্ট



: বলোতো মুরগির ব্রেস্ট নেই কেন ?

: মোরগের হাত নেই বলে |



জরিমানা



একলোক এক ট্রাফিক মহিলাকে বিয়ে করল | বাসর রাতের পরদিন ট্রাফিক মহিলা ১০০০ টাকা জরিমানা করল এভাবে

- ওভার স্পীড ৩০০

- হেলমেট না পরা ৩০০

- রং ওয়ে এট্রি ৪০০



ভিজিয়ে চেষ্টা করো



বাসর রাত| আনাড়ি স্বামী অনেক চেষ্টা করেও লক্ষ্যে না যেতে পেরে খুব বিব্রত | লজ্জায় নিজের কথা বলতে পারছে না বউকে |

স্বামীঃ এই শুনছো, সুইয়ে সুতোটা পরিয়ে দেও না, আমার মোটেও অভ্যাস নেই |

বউঃ সুতোর মাথাটে থুতুতে ভিজিয়ে নেও, দেখবে ঠিকই পারবে |



আমার টাকাটা দিয়ে যাবেন

স্বামী-স্ত্রী রতিক্রিয়ার সময়--



স্ত্রীঃ আজ তোমার কেমন লাগছে গো?

স্বামীঃ দারুন লাগছে ডার্লিং | ইচ্ছে করছে তোমার ভিতর চিরদিনের জন্য ডুকে যাই |

বারান্দায় কাজের বুয়াঃ ডুকে যাওয়ার আগে আমার টাকাটা দিয়ে যাবেন |



কনডম

স্ত্রীঃ বল তো, সবচেয়ে ক্ষুদ্র ও ক্ষনস্থায়ী পোশাক কোনটি ?

স্বামীঃ কনডম !!



পুরুটাই আনন্দের

একজন জেনেরেল, একজন কর্নেল এবং একজন মেজরের মাঝে আলোচনা হচ্ছে |

জেনেরেলঃ সেক্সের ষাট ভাগ পরিশ্রম আর চল্লিশ ভাগ আনন্দের |

কর্নেলঃ সেক্সের পচাত্তর ভাগ পরিশ্রম আর পচিশ ভাগ আনন্দের |

মেজরঃ সেক্সের নব্বই ভাগ পরিশ্রম আর দশ ভাগ আনন্দের |



এক সময় একজন জওয়ান আসলো তাদের কাছে | জেনেরেল বললেন, ঠিক আছে, ঐ জওয়ান ব্যাটাকে জিঞ্জেস করা হোক | অন্য দুজন তা মেনে নিল |



জওয়ান বললো , সেক্সের পুরুটাই আনন্দের | এ কথা শুনে তারা তিন জন এক সাথে বলে উঠল, কেন তুমি একথা বললে ?

জওয়ান বললো, পরিশ্রমের হলে তো কাজটা আমকেই করতে দিতেন, আপনার করতেন না |



ক্যালেনডার টাঙ্গাইবেন!!!



এক লোক ডাক্তার দেখাতে গেছে কারন তার ... দাড়ায় না | ডাক্তার শুনে বললেন, বিয়ে করছেন?

: না |

: প্রেমিকা আছে ?

: না |

: পরকীয়া করেন ?

: না |

: টানবাজার যান ?

: না |

: মাস্টারবেট করেন?

: না |

ডাক্তার ক্ষেপে বললেন, " ওই মিয়া, তাহলে দাড়া করায়ে কি করবেন? ক্যালেনডার টাঙ্গাইবেন!!!"




নির্বাক হাসান-এর ব্লগ



গোলাপের পুষ্টি

একবার ক্লাস এ ম্যাডাম ব্লাউস এ গোলাপ লাগিয়ে ক্লাস এসে ছাত্রদের জিজ্ঞেস করলো - "গোলাপ, এর পুষ্টি কোথা থেকে পায়?"
ছাত্র: "দুধ থেকে"
ম্যাডাম: "না পানি থেকে!"
ছাত্র: "আমি ক্যামনে জানমু এইটার ডাঁটা এত নিচে গেছে!"



More Threads in same category
ফেসবুকের জনপ্রিয় স্ট্যাটাস10/10/2014
কালীদাস পন্ডিতের ধাঁধা30/04/2014
সেরা কৌতুক সমগ্র (১৮+)03/03/2015
না হাসলে পয়সা ফেরত05/05/2013
মজার যত কৌতুক17/10/2012
একটি গুগলী18/01/2014
মজার কৌতুক (প্রতিদিনই পাবেন)11/01/2013
মেয়েদের প্রোপোস করার নিয়ম03/01/2013
অতি চালাকের গলায় দড়ি14/06/2013
কিছু অনু-কাব্য, সাথে পারমানবিক ব্যাখ্যা15/03/2013

Funny Boy, Mar 4, 2015
#1
Offline
Funny BoySpecial MemberMember
Joined:Mar 3, 2015Messages:521Likes Received:10Location:কাজীরহাটReputation: 0Country: Bangladesh

শুক্রাণুর লড়াই

বীর্যপাতের সাথে সাথেই দুইটা শুক্রাণু তীব্র যুদ্ধ শুরু করে দিলো জরায়ুতে যাবার জন্য...
প্রথম শুক্রাণুঃ আমি একটা ছেলে, পৃথিবীতে আসার অধিকার আমারই বেশি তুই থাম!...
দ্বিতীয় শুক্রাণুঃ চোপ ব্যাটা, আমি মেয়ে... আমিই পৃথিবীর সৌন্দর্য... পৃথিবীতে আসার অধিকার আমারই বেশি...
তাদের যুদ্ধ দেখে তৃতীয় আরেকটা শুক্রাণু ভয়ানক রাগে চিল্লিয়ে উঠে বলেঃ- “গাধার বাচ্চারা চারিদিকে চেয়ে দেখ, আমাদেরকে পাছার ভিতরে ফেলা হয়েছে!”

Funny Boy, Mar 4, 2015
#2
Offline
Funny BoySpecial MemberMember
Joined:Mar 3, 2015Messages:521Likes Received:10Location:কাজীরহাটReputation: 0Country: Bangladesh

কয়েদী-কারাগার

নায়লার সদ্য বিবাহ হয়েছে। সে তার স্বামী নিপুকে বলল, "সোনা, আমি এখনো কুমারী এবং আমি সেক্স সম্পর্কে তেমন কিছুই জানি না। তুমি কি আমাকে এটা ব্যাখ্যা করতে পারবে?"
নিপু বলল, "ঠিক আছে, সোনা। এটা খুবই সোজা। মনে কর তোমার স্ত্রী অঙ্গটির নাম 'কারাগার' এবং আমার পুরুষাঙ্গের নাম 'কয়েদী'। আমরা সেক্স করার সময় তোমার কারাগারে আমার কয়েদিকে আটকে রাখব। তবে এই কয়েদী ভীষণ দুষ্টু! একটু পরপরই পালাতে চাইবে। আমরা আবার ওকে কারাগারে আটক করব!"
রাতে নায়লা তার জীবনে প্রথমবারের মত সেক্সের স্বাদ পেল। বীর্যপাতের পর যখন নিপু তার লিঙ্গটা নায়লার যোনি থেকে বের করলো তখন নায়লা বলে উঠল "সোনা, আমার মনে হয় কয়েদী পালিয়ে গেছে!" নিপু একটু হেসে নায়লার পাশ ফিরে বলল, "তাহলে চল আবার তাকে কারাগারে আটক করি!" দ্বিতীয়বার সেক্সের পর নায়লা বলে উঠলো, "ওগো, কয়েদী আবার পালিয়ে গেছে!" নিপুকে আবার কয়েদিকে কারাগারে আটক করতে হলো! তৃতীয়বার মিলনের পর নিপু যখন ক্লান্ত হয়ে ঘুমাতে যাবে নায়লা আবার তাকে দেকে বলল, "আরে তুমি ঘুমুচ্ছ কেন, কয়েদী তো পালিয়ে গেল!"
নিপু: " আরে এটা আজীবন কারাদ্বন্ড নয়! তিন বার জেল খেটেছে। বাহিরে গিয়ে কিছু করুক, আবার সময়মত আটক করব! এখন ঘুমাও তো।"

Funny Boy, Mar 4, 2015
#3
Offline
Funny BoySpecial MemberMember
Joined:Mar 3, 2015Messages:521Likes Received:10Location:কাজীরহাটReputation: 0Country: Bangladesh

আলো-অন্ধকার

সোনা মিয়া আর রুপাবানুর বিবাহিত জীবন ৩০ বছরের। এই দীর্ঘ ৩০ বছরে সবসময় সোনামিয়া ভাবত সে রুপাবানুকে ঠিকমত সুখ দিতে পারে না। তাই সে প্রতিবার চোদাচুদির সময় বড় লম্বা বেগুন রুপাবানুর ভোদায় ঢুকাত ও বের করত, আর রুপাবানু যাতে বুঝতে না পারে সে জন্য আলো নিভিয়ে রাখত। এই ৩০ বছর পরিবানুর মনে কোনো সন্দেহ জাগেনি। একদিন রুপাবানু খুব ইচ্ছে করলো তার স্বামীর লম্বা সুন্দর ধনটা দেখবে। এতদিন সে লজ্জায় সে স্বামীর ধন দেখতে চায়নি। সে ঠিক করলো রাতে চোদাচুদির সময় সোনামিয়ার বীর্য বের হওয়ার আগে ঘরের বাতি জ্বালিয়ে দেবে। সময়মত তাদের কার্যক্রম শুরু হলো। কিছুক্ষণ পর রুপাবানু চালাকি করে ঘরের বাতি জ্বালিয়ে দিল। বাতি জ্বালিয়ে রুপাবানু দেখল তার ভোদার ভেতর সোনামিয়ার ধনের বদলে একটা বেগুন ঢোকানো! সে রেগে গিয়ে সোনামিয়াকে বলল,
রুপাবানু : "এখানে বেগুন ঢুকাইছ ক্যান হীরা-মুক্তা-মানিক-রতনের বাপ?"
উত্তরে সোনামিয়াও সাহস করে বলল,
সোনামিয়া: "আরে রাখ তোর্ বেগুন, তার আগে ক হীরা-মুক্তা-মানিক-রতনের জন্ম হইলো ক্যামনে?"

Funny Boy, Mar 4, 2015
#4
Offline
Funny BoySpecial MemberMember
Joined:Mar 3, 2015Messages:521Likes Received:10Location:কাজীরহাটReputation: 0Country: Bangladesh

মসলাও পিষাবেন নাকি!

পলির সাথে হাবুলের বিয়ে হয়েছে কিছুদিন হল। হাবুলের সবই ঠিক আছে কিন্তু ওই জিনিসটা বেশী শক্ত হয়না। সেজন্য পলি বেশি মজা পায়না।

পলি আর থাকতে না পেরে হাবুলকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেল।

পলিঃ "ডাক্তার সাব, আমার জামাইয়ের ডান্ডা পাথরের চেয়ে বেশী শক্ত করে দেন যেন ডান্ডার আঘাতে পাথর ভেঙ্গে যায়!"

ডাক্তারঃ "এত শক্ত? ঢুকানোর পাশাপাশি মসলাও পিষাবেন নাকি!"

Funny Boy, Mar 4, 2015
#5
Offline
Funny BoySpecial MemberMember
Joined:Mar 3, 2015Messages:521Likes Received:10Location:কাজীরহাটReputation: 0Country: Bangladesh

ব্যালেন্স শেষ!

পলির বিয়ের পরদিন তার বান্ধবী জুলির সাথে দেখা-
জুলি:কিরে তোর বাসর রাত কেমন হল?
পলি:আর বলিস না প্রথম কয়েকবার মিসকল দিলো...তারপর যখন কল ঢুকলো তখন ব্যালেন্স শেষ...

Funny Boy, Mar 4, 2015
#6
Offline
Funny BoySpecial MemberMember
Joined:Mar 3, 2015Messages:521Likes Received:10Location:কাজীরহাটReputation: 0Country: Bangladesh

বউ মা - শ্বশুর!

ছাদে জামা কাপড় মেলা আছে । হঠাৎ বৃষ্টি নামলো । এদিকে বাড়ির বউ রান্না ঘর এ চুলোয় দুধ গরম করছিল । শ্বশুর মশাই বৃষ্টিতে কাপড় ভিজতে দেখে বউ মা কে মিষ্টি করে বলল, "বউ মা, বৃষ্টি এসেছে তো, তুমি কাপড় তোল আর আমি তোমার দুধ নাড়ি।"

Funny Boy, Mar 4, 2015
#7
Offline
Funny BoySpecial MemberMember
Joined:Mar 3, 2015Messages:521Likes Received:10Location:কাজীরহাটReputation: 0Country: Bangladesh

What a বাসর রাত!

এক লোক বিয়ের আগে টাকা দিয়ে খারাপ মেয়েদের সাথে সেক্স করত। লোকটি বিয়ে করার পরের দিন তার এক বন্ধুকে ফোন করে বলল, "দোস্ত সর্বনাশ হইছে! বাসর রাতে বৌ এর সাথে সেক্স করার পর মনের ভুলে বৌকে পঞ্চাশ টাকা দিছি!"
বন্ধুটি উত্তরে বলল, "তো অসুবিধা টা কি?"
লোকটি জবাব দিল, "আরে দোস্ত সেটা অসুবিধা না! অসুবিধা হইল বৌ আবার আমারে বিশ টাকা ফেরত দিছে!"

Funny Boy, Mar 4, 2015
#8
Offline
Funny BoySpecial MemberMember
Joined:Mar 3, 2015Messages:521Likes Received:10Location:কাজীরহাটReputation: 0Country: Bangladesh

সোনার বাংলা

দুই বান্ধবী রিক্সায় চরে পার্কে যাচ্ছে। কিছুক্ষন যাওয়ার পর তারা দুজনেই দেখতে পেল যে রিক্সঅলার লুঙির পিছনে ছিড়া দিয়ে সব দেখা যাচ্ছে। লজ্জা পেয়ে এক বান্ধবী রিক্সাওলাকে বলে যে, "মামা আপনার জয় বাংলা দেখা যাচ্ছে লুঙ্গিটা একটু ঘুড়িয়ে পড়েন!"
রিক্সাওয়ালা:"এখন তো শুধু জয় বাংলা দেখা যাচ্ছে, আর ঘুড়িয়ে পড়লে তো সোনার বাংলা দেখা যাবে!"

Funny Boy, Mar 4, 2015
#9
Offline
Funny BoySpecial MemberMember
Joined:Mar 3, 2015Messages:521Likes Received:10Location:কাজীরহাটReputation: 0Country: Bangladesh

অন্তর্বাস

ক্লাস সিক্সে অল্পবয়স্ক এক ম্যাডাম এ্যাসাইনমেন্ট দিচ্ছিলেন। এ্যাসাইনমেন্টের টাইটেলটা অনেক বড় হওয়ায় তিনি বোর্ডের অনেক উপর থেকে লেখা শুরু করলেন। এমন সময় পেছন থেকে এক ছেলের খিখি হাসি শোনা গেল। ফিরে তিনি দেখলেন রিক হাসছে।
- তুমি কেন হাসলে?
- ম্যাডাম, আপনার অন্তর্বাস দেখা যাচ্ছিলো তাই।
- ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাও। আগামী ৩ দিন আমার সামনে আসবে না।
রিক বেরিয়ে গেলো মাথা নিচু করে।
ম্যাডাম আবার লেখা শুরু করলেন। এবার বিলের কণ্ঠে আরো জোরে হাসি শোনা গেলো। ম্যাডাম রেগেমেগে জানতে চাইলেন, কেন হাসলে?
- ম্যাডাম আপনার অন্তর্বাস পুরোটাই দেখা যাচ্ছিলো তাই।
- ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাও। আগামী ৩ সপ্তাহ আমার সামনে আসবে না।
বিল মাথা নিচু করে ক্লাস থেকে বেরিয়ে গেলো।
কিছুক্ষণ পর ম্যাডাম টমিকে মাথা নিচু করে বের হয়ে যেতে দেখে বললেন, “কি ব্যাপার টমি তুমি কোথায় যাচ্ছ?” উত্তরে টমি বলল, “ম্যাডাম, আমি যদি বলি আমি কি দেখেছি তাহলে আপনি আর কোনদিন আমাকে ক্লাস করতে দিবেন না!”

Saturday, February 10, 2018

খনার জনপ্রিয় ১৮৫টি বচন (khanar bachan) khanar janaprio bachan



খনা জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী এক বিদুষী নারী যিনি বচন রচনায় পারদর্শী ছিলেন। তাঁর ভবিষ্যতবাণীগুলোই খনার বচন নামে বহুল পরিচিত এবং সমাদৃত। আনুমানিক ৮০০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে তাঁর আবির্ভাব হয়েছিল। কিংবদন্তি আছে, তিনি বাস করতেন পশ্চিমবঙ্গের অধুনা উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাতের দেউলিয়া গ্রামে। একদিন পিতা বরাহ এবং পুত্র মিহির আকাশের তারা গণনায় সমস্যায় পরলে, খনা এ সমস্যার সমাধান দিয়ে রাজা বিক্রমাদিত্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। গণনা করে খনার দেওয়া পূর্বাভাসে রাজ্যের কৃষকরা উপকৃত হতো বলে রাজা বিক্রমাদিত্য খনাকে দশম রত্ন হিসেবে আখ্যা দেন। খনার বচন মূলত কৃষিতত্ত্বভিত্তিক ছড়া। অসংখ্য খনার বচন যুগ যুগ ধরে গ্রাম-বাংলার জনজীবনের সাথে মিশে আছে।
তাঁর বচনগুলি ৪ ভাগে বিভক্ত:
১) কৃষিকাজের প্রথা ও কুসংস্কার।
২) কৃষিকাজ ফলিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞান।
৩) আবহাওয়া জ্ঞান।
৪) শস্যের যত্ন সম্পর্কিত উপদেশ।
সর্বাধিক জনপ্রিয় খনার ১৮৫টি বচন নিম্নে সংগ্রথিত হল:
চিনিস বা না চিনিস
খুঁজে দেখে গরু কিনিস।
যদি বর্ষে পৌষে,
কড়ি হয় তুষে।
গরু ছাগলের মুখে বিষ।
চারা না খায় রাখিস দিশ।।
বেল খেয়ে খায় পানি,
জির বলে মইলাম আমি।
পুত্র ভাগ্যে যশ
কন্যা ভাগ্যে লক্ষী।
চৈত্রে দিয়া মাটি
বৈশাখে কর পরিপাটি।
জ্যৈষ্ঠে খরা, আষাঢ়ে ভরা
শস্যের ভার সহে না ধরা।
ভাদ্রের চারি, আশ্বিনের চারি
কলাই করি যত পারি।
আউশ ধানের চাষ
লাগে তিন মাস।
১০
সকাল শোয় সকাল ওঠে
তার কড়ি না বৈদ্য লুটে।
১১
যে চাষা খায় পেট ভরে
গরুর পানে চায় না ফিরে
গরু না পায় ঘাস পানি
ফলন নাই তার হয়রানি।
১২
দিনের মেঘে ধান,
রাতের মেঘে পান।
১৩
বার বছরে ফলে তাল,
যদি না লাগে গরু নাল।
১৪
সকল গাছ কাটিকুটি
কাঁঠাল গাছে দেই মাটি।
১৫
একে তে নাচুনী বুড়ি,
তার উপর ঢোলের বারি।
১৬
দশে মিলে করি কাজ
হারি জিতি নাহি লাজ।
১৭
যা করিবে বান্দা তা-ই পাইবে।
সুই চুরি করিলে কুড়াল হারাইবে।
১৮
যাও পাখি বলো তারে
সে যেন ভুলেনা মোরে।
১৯
ফুল তুলিয়া রুমাল দিলাম যতন করি রাখিও।
আমার কথা মনে ফইল্লে রুমাল খুলি দেখিও।
২০
মেয়ে নষ্ট ঘাটে,
ছেলে নষ্ট হাটে।
২১
খালি পেটে পানি খায়
যার যার বুঝে খায়।
২২
তেলা মাথায় ঢালো তেল,
শুকনো মাথায় ভাঙ্গ বেল।
২৩
সাত পুরুষে কুমাড়ের ঝি,
সরা দেইখা কয়, এইটা কি?
২৪
আষাঢ় মাসে বান্ধে আইল
তবে খায় বহু শাইল।
২৫
নিজের বেলায় আটিঁগাটি,
পরের বেলায় চিমটি কাটি।
২৬
না পাইয়া পাইছে ধন;
বাপে পুতে কীর্তন।
২৭
যে না শোনে খনার বচন
সংসারে তার চির পচন।
২৮
বাঁশ মরে ফুলত,
মানুষ মরে ভুলত।
২৯
সুপারীতে গোবর, বাশে মাটি
অফলা নারিকেল শিকর কাটি।
৩০
তাল বাড়ে ঝোঁপে
খেজুর বাড়ে কোপে।
৩১
চাষী আর চষা মাটি
এ দু’য়ে হয় দেশ খাঁটি।
৩২
গাই পালে মেয়ে
দুধ পড়ে বেয়ে।
৩৩
সোমে ও বুধে না দিও হাত
ধার করিয়া খাইও ভাত।
৩৪
পুকুরে তে পানি নাই, পাতা কেনো ভাসে
যার কথা মনে করি সেই কেনো হাসে?
৩৫
গাঙ দেখলে মুত আসে
নাঙ দেখলে হাস আসে (নাঙ মানে – স্বামী)
৩৬
ছায়া ভালো ছাতার তল,
বল ভালো নিজের বল।
৩৭
খনা বলে শুনে যাও
নারিকেল মুলে চিটা দাও
গাছ হয় তাজা মোটা
তাড়াতাড়ি ধরে গোটা।
৩৮
ভাত দেবার মুরোদ নাই,
কিল দেবার গোসাঁই।
৩৯
পারেনা ল ফালাইতে
উইঠা থাকে বিয়ান রাইতে।
৪০
আখ আদা রুই
এই তিন চৈতে রুই।
৪১
পটল বুনলে ফাগুনে
ফলন বাড়ে দ্বিগুণে।
৪২
খনা বলে চাষার পো
শরতের শেষে সরিষা রো।
৪৩
সূর্যের চেয়ে বালি গরম!!
নদীর চেয়ে প্যাক ঠান্ডা!!
৪৪
যদি থাকে বন্ধুরে মন
গাং সাঁতরাইতে কতক্ষণ।
৪৫
ঘরের কোনে মরিচ গাছ লাল মরিচ ধরে,
তোমার কথা মনে হলে চোখের পানি পড়ে!
৪৬
খনা ডেকে বলে যান
রোদে ধান ছায়ায় পান।
৪৭
হাত বিশ করি ফাঁক
আম কাঁঠাল পুঁতে রাখ।
৪৮
সমানে সমানে দোস্তি
সমানে সমানে কুস্তি।
৪৯
হোলা গোশশা অইলে বাশশা,
মাইয়া গোশশা অইলে বেইশশা।
৫০
কি কর শ্বশুর মিছে খেটে
ফাল্গুনে এঁটে পোত কেটে
বেড়ে যাবে ঝাড়কি ঝাড়
কলা বইতে ভাংগে ঘাড়।
৫১
উঠান ভরা লাউ শসা
ঘরে তার লক্ষীর দশা।
৫২
যদি বর্ষে মাঘের শেষ
ধন্যি রাজা পুণ্যি দেশ।
৫৩
হইবো পুতে ডাকবো বাপ
তয় পুরবো মনর থাপ।
৫৪
সবল গরু, গভীর চাষ
তাতে পুরে চাষার আশ।
৫৫
ডাঙ্গা নিড়ান বান্ধন আলি
তাতে দিও নানা শালি।
৫৬
ডাকে পাখী, না ছাড়ে বাসা,
খনা বলে, সেই তো ঊষা।
৫৭
অঙ্কস্য বামা গতি।
৫৮
কাঁচা রোপা শুকায়
ভুঁইয়ে ধান ভুঁইয়ে লুটায়।
৫৯
কিল আর তেল পড়লেই গেল।
৬০
যদি বর্ষে গাল্গুনে
চিনা কাউন দ্বিগুনে।
৬১
শাল সত্তর, আসন আশি
জাম বলে পাছেই আছি।
তাল বলে যদি পাই কাত
বার বছরে ফলে একরাত।
৬২
দিনে রোদ রাতে জল
দিন দিন বাড়ে ধানের বল।
৬৩
মাঘ মাসে বর্ষে দেবা
রাজ্য ছেড়ে প্রজার সেবা।
৬৪
ঘন সরিষা বিরল তিল।
ডেঙ্গে ডেঙ্গে কাপাস।।
এমন করে বুনবি শন।
না লাগে বাতাস।।
৬৫
সেচ দিয়ে করে চাষ,
তার সবজি বার মাস।
৬৬
ক্ষেত আর পুত।
যত্ন বিনে যমদূত।।
৬৭
ফল খেয়ে জল খায়
জম বলে আয় আয়।
৬৮
কাল ধানের ধলা পিঠা,
মা’র চেয়ে মাসি মিঠা।
৬৯
বেঙ ডাকে ঘন ঘন
শীঘ্র হবে বৃষ্টি জান।
৭০
যদি বর্ষে মাঘের শেষ,
ধন্যি রাজার পুণ্য দেশ।।
যদি বর্ষে ফাগুনে,
রাজা যায় মাগুনে।।
৭১
যুগরে খাইছে ভূতে
বাপরে মারে পুতে।
৭২
শোনরে বাপু চাষার পো
সুপারী বাগে মান্দার রো৷
মান্দার পাতা পচলে গোড়ায়
ফড়ফড়াইয়া ফল বাড়ায়।
৭৩
গাছে গাছে আগুন জ্বলে
বৃষ্টি হবে খনায় বলে।
৭৪
যদি হয় চৈতে বৃষ্টি
তবে হবে ধানের সৃষ্টি।
৭৫
নিত্যি নিত্যি ফল খাও,
বদ্যি বাড়ি নাহি যাও।
৭৬
শুধু পেটে কুল,
ভর পেটে মূল।
৭৭
সাত হাতে, তিন বিঘাতে
কলা লাগাবে মায়ে পুতে।
কলা লাগিয়ে না কাটবে পাত,
তাতেই কাপড় তাতেই ভাত।
৭৮
যদি ঝরে কাত্তি।
সোনা রাত্তি রাত্তি।।


৭৯
মিললে মেলা।
না মিললে একলা একলা ভালা!
৮০
শোন শোন চাষি ভাই
সার না দিলে ফসল নাই।
৮১
চালায় চালায় কুমুড় পাতা
লক্ষ্মী বলেন আছি তথা।
৮২
বারো মাসে বারো ফল
না খেলে যায় রসাতল।
৮৩
সকাল শোয় সকাল ওঠে
তার কড়ি না বৈদ্য লুটে।
৮৪
গাছগাছালি ঘন রোবে না
গাছ হবে তার ফল হবে না।
৮৫
তিন নাড়ায় সুপারী সোনা,
তিন নাড়ায় নারকেল টেনা,
তিন নাড়ায় শ্রীফল বেল,
তিন নাড়ায় গেরস্থ গল।
৮৬
সোল বোয়ালের পোনা,
যার যারটা তার তার কাছে সোনা।
৮৭
আলো হাওয়া বেঁধো না
রোগে ভোগে মরো না।
৮৮
যদি হয় সুজন এক পিড়িতে নয় জন।
যদি হয় কুজন নয় পিড়িতে নয় জন।
৮৯
পাঁচ রবি মাসে পায়।
ঝরায় কিংবা খরায় পায়।
৯০
ক্ষেত আর পুত,
যত্ন বিনে যমদূত।
৯১
আমি অটনাচার্যের বেটি
গনতে গাঁথতে কারে বা আঁটি।
৯২
যত জ্বালে ব্যঞ্জন মিষ্ট
তত জ্বালে ভাত নষ্ট।
৯৩
বাদল বামুন বান,
দক্ষিণা পেলেই যান।
৯৪
পৌষের কুয়া বৈশাখের ফল।
য’দ্দিন কুয়া ত’দ্দিন জল।
শনিতে সাত মঙ্গলে/(বুধ) তিন।
আর সব দিন দিন।
৯৫
পাঁচ রবি মাসে পায়,
ঝরা কিংবা খরায় যায়।
৯৬
গাঁ গড়ানে ঘন পা।
যেমন মা তেমন ছা।।
থেকে বলদ না বয় হাল,
তার দুঃখ সর্ব্বকাল।।
৯৭
কাচায় না নোয়ালে বাশ,
পাকলে করে ঠাস ঠাস!
৯৮
ভাই বড়ো ধন, রক্তের বাঁধন
যদি ও পৃথক হয়, নারীর কারন।
৯৯
জ্যৈষ্ঠে শুকো আষাঢ়ে ধারা।
শস্যের ভার না সহে ধরা।
১০০
তাল, তেঁতুল, কুল
তিনে বাস্তু নির্মূল।
১০১
এক পুরুষে রোপে তাল,
অন্য পুরুষি করে পাল।
তারপর যে সে খাবে,
তিন পুরুষে ফল পাবে।
১০২
হলে ফুল কাট শনা।
পাট পাকিলে লাভ দ্বিগুণা।।
১০৩
আম খেয়ে খায় পানি,
পেঁদি বলে আমি ন জানি।
১০৪
হাতিরও পিছলে পাও।
সুজনেরও ডুবে নাও।
১০৫
চৈত্রেতে থর থর
বৈশাখেতে ঝড় পাথর
জ্যৈষ্ঠতে তারা ফুটে
তবে জানবে বর্ষা বটে।
১০৬
যদি অশ্বি কুয়া ধরে,
তবে ধানগাছে পোকা ধরে।
১০৭
হাঁচি জেটি পড়ে যবে,
অষ্ট গুণ তার লভ্য না হবে।
১০৮
তিনশ ষাট ঝাড় কলা রুয়ে
থাকগা চাষি মাচায় শুয়ে,
তিন হাত অন্তর এক হাত
খাই কলা পুতগে চাষা ভাই।
১০৯
গরুর পিঠে তুললে হাত।
গিরস্থে কভু পায় না ভাত।।
গাই দিয়া বায় হাল
দু:খ তার চিরকাল।
১১০
সরিষা বনে কলাই মুগ,
বুনে বেড়াও চাপড়ে বুক।
১১১
দিন থাকতে বাঁধে আল।
তবে খায় তিন শাল।।
বারো পুত তেরো নাতি।
তবে করো বোরো খেতি।।
১১২
আম নিম জামের ডালে
দাঁত মাজও কুতুহলে।
১১৩
পূর্ণিমা আমাবস্যায় যে ধরে হাল,
তার দুঃখ হয় চিরকাল।
যার বলদের হয় বাত,
তার ঘরে না থাকে ভাত।
খনা বলে আমার বাণী,
যে চষি তার হবে জানি।
১১৪
ভাদ্র আশ্বিনে বহে ঈশান,
কাঁধে কোদালে নাচে কৃষাণ।
১১৫
ঘোল, কুল, কলা
তিনে নাশে গলা।
১১৬
তপ্ত অম্ল ঠাণ্ডা দুধ
যে খায় সে নির্বোধ।
১১৭
ফাল্গুন না রুলে ওল,
শেষে হয় গণ্ডগোল।
১১৮
বাড়ীর কাছে ধান পা,
যার মার আগে ছা।
চিনিস বা না চিনিস,
ঘুঁজি দেখে কিনিস।
১১৯
উনো বর্ষায় দুনো শীত।
১২০
আউশের ভুই বেলে,
পাটের ভুঁই আটালে।
১২১
পান লাগালে শ্রাবণে,
খেয়ে না কুলায় রাবণে।
১২২
শীষ দেখে বিশ দিন,
কাটতে কাটতে দশদিন।
ওরে বেটা চাষার পো,
ক্ষেতে ক্ষেতে শালী রো।
১২৩
গোবর দিয়া কর যতন,
ফলবে দ্বিগুণ ফসল রতন।
১২৪
মাঘে মুখী,
ফাল্গুনে চুখি,
চৈতে লতা,
বৈশাখে পাতা।
১২৫
ভাদরের চারি আশ্বিনের চারি,
কলাই রোব যত পারি।
১২৬
আষাঢ়ের পানি।
তলে দিয়া গেলে সার।
উপরে দিয়া গেলে ক্ষার।।
১২৭
যে চাষা খায় পেট ভরে।
গরুর পানে চায় না ফিরে।
গরু না পায় ঘাস পানি।
ফলন নাই তার হয়রানি।।
১২৮
খনা বলে শুন কৃষকগণ
হাল লয়ে মাঠে বেরুবে যখন
শুভ দেখে করবে যাত্রা
না শুনে কানে অশুভ বার্তা।
ক্ষেতে গিয়ে কর দিক নিরূপণ,
পূর্ব দিক হতে হাল চালন
নাহিক সংশয় হবে ফলন।
১২৯
আকাশে কোদালীর বাউ। ও
গো শ্বশুড় মাঠে যাও।।
মাঠে গিয়া বাঁধো আলি।
বৃষ্টি হবে আজি কালি।।
১৩০
খনা ডাকিয়া কন,
রোদে ধান ছায়ায় পান।
১৩১
বৎসরের প্রথম ঈশানে বয়,
সে বৎসর বর্ষা হবে খনা কয়।
১৩২
যদি থাকে টাকা করবার গোঁ।
চৈত্র মাসে ভুট্টা দিয়ে রো।।
১৩৩
যদি বর্ষে কাতি,
রাজা বাঁধে হাতি।
১৩৪
আম লাগাই জাম লাগাই কাঁঠাল সারি সারি-
বারো মাসের বারো ফল নাচে জড়াজড়ি।
১৩৫
মেঘ করে রাত্রে হয় জল।
তবে মাঠে যাওয়াই বিফল।।
১৩৬
ফাল্গুনে আগুন চৈতে মাটি,
বাঁশ বলে শীঘ্র উঠি।
১৩৭
ভরা হতে শুন্য ভাল যদি ভরতে যায়,
আগে হতে পিছে ভাল যদি ডাকে মায়।
মরা হতে তাজা ভাল যদি মরতে যায়,
বাঁয়ে হতে ডাইনে ভাল যদি ফিরে চায়।
বাঁধা হতে খোলা ভাল মাথা তুলে চায়,
হাসা হতে কাঁদা ভাল যদি কাঁদে বাঁয়।
১৩৮
ফাল্গুনে আট, চৈতের আট,
সেই তিল দায়ে কাট।
১৩৯
ডাক দিয়ে বলে মিহিরের স্ত্রী, শোন পতির পিতা,
ভাদ্র মাসে জলের মধ্যে নড়েন বসুমাতা।
রাজ্য নাশে, গো নাশে, হয় অগাধ বান,
হাতে কাটা গৃহী ফেরে কিনতে না পান ধান।
১৪০
শুনরে বেটা চাষার পো, বৈশাখ জ্যৈষ্ঠে হলুদ রো।
আষাঢ় শাওনে নিড়িয়ে মাটি,ভাদরে নিড়িয়ে করবে খাঁটি।
হলুদ রোলে অপর কালে, সব চেষ্টা যায় বিফলে।
১৪১
বৈশাখের প্রথম জলে,
আশুধান দ্বিগুণ ফলে।
১৪২
কি করো শ্বশুর লেখা জোখা,
মেঘেই বুঝবে জলের রেখা।
কোদাল কুড়ুলে মেঘের গাঁ,
মধ্যে মধ্যে দিচ্ছে বা।
কৃষককে বলোগে বাঁধতে আল,
আজ না হয় হবে কাল।
১৪৩
চৈতের কুয়া আমের ক্ষয়
তাল তেঁতুলের কিবা হয়।
১৪৪
বিশ হাত করি ফাঁক,
আম কাঁঠাল পুঁতে রাখ।
গাছ গাছি ঘন রোবে না,
ফল তাতে ফলবে না।
১৪৫
শুনরে বাপু চাষার বেটা
মাটির মধ্যে বেলে যেটা
তাতে যদি বুনিস পটল
তাতে তোর আশার সফল।
১৪৬
লাঙ্গলে না খুঁড়লে মাটি,
মই না দিলে পরিপাটি
ফসল হয় না কান্নাকাটি।
১৪৭
ফাগুনে আগুন, চৈতে মাট
বাঁশ বলে শীঘ্র উঠি।
১৪৮
হালে নড়বড়, দুধে পানি
লক্ষ্মী বলে চললাম আমি।
১৪৯
গো নারিকেল নেড়ে রো
আমা টুকরা কাঁঠাল ভো।
১৫০
যদি না হয় আগনে বৃষ্টি
তবে না হয় কাঁঠালের সৃষ্টি।
১৫১
মঙ্গলে ঊষা বুধে পা
যথা ইচ্ছা তথা যা।
১৫২
বাঁশের ধারে হলুদ দিলে
খনা বলে দ্বিগুণ বাড়ে।

১৫৩
আমে ধান তেঁতুলে বান।
১৫৪
বার পুত, তের নাতি
তবে কর কুশার ক্ষেতি।
১৫৫
বামুন বাদল বান
দক্ষিণা পেলেই যান।
১৫৬
গাজর, গন্ধি, সুরী
তিন বোধে দূরী।
১৫৭
যদি না হয় আগনে পানি,
কাঁঠাল হয় টানাটানি।
১৫৮
খনা বলে শোনভাই
তুলায় তুলা অধিক পাই।
১৫৯
সবলা গরু সুজন পুত
রাখতে পারে খেতের জুত।
১৬০
খনা বলে শুনে যাও
নারিকেল মুলে চিটা দাও
গাছ হয় তাজা মোটা
তাড়াতাড়ি ধরে গোটা
১৬১
ঘন সরিষা পাতলা রাই
নেংগে নেংগে কার্পাস পাই।
১৬২
আগে বাঁধবে আইল
তবে রুবে শাইল।
১৬৩
তিন শাওনে পান
এক আশ্বিনে ধান।
১৬৪
থাক দুখ পিতে,(পিত্তে)
ঢালমু দুখ মাঘ মাসের শীতে।
১৬৫
চোরের মার বড় গলা
লাফ দিয়ে খায় গাছের কলা।
১৬৬
ভাদরে করে কলা রোপন
স্ববংশে মরিল রাবণ।
১৬৭
পরের বাড়ির পিঠা
খাইতে বড় ই মিঠা।
১৬৮
ডাক ছেড়ে বলে রাবণ
কলা রোবে আষাঢ় শ্রাবণ।
১৬৯
নদীর জল ঘোলাও ভালো,
জাতের মেয়ে কালোও ভালো।
১৭০
দাতার নারিকেল, বখিলের বাঁশ
কমে না বাড়ে বারো মাস।
১৭১
বিপদে পড় নহে ভয়
অভিজ্ঞতায় হবে জয়।
১৭২
পূর্ব আষাঢ়ে দক্ষিণা বয়
সেই বৎসর বন্যা হয়।
১৭৩
জৈষ্ঠতে তারা ফুটে
তবে জানবে বর্ষা বটে।
১৭৪
মংগলে উষা বুধে পা
যথা ইচ্ছা তথা যা।
১৭৫
খরা ভুয়ে ঢালবি জল
সারাবছর পাবি ফল।
১৭৬
গাছ-গাছালি ঘন রোবে না
গাছ হবে তাতে ফল হবে না।
১৭৭
উত্তর দুয়ারি ঘরের রাজা
দক্ষিণ দুয়ারি তাহার প্রজা।
পূর্ব দুয়ারির খাজনা নাই
পশ্চিম দুযারির মুখে ছাই।
১৭৮
আষাঢ়ে পনের শ্রাবণে পুরো
ধান লাগাও যত পারো।
১৭৯
ষোল চাষে মূলা, তার অর্ধেক তুলা
তার অর্ধেক ধান, তার অর্ধেক পান,
খনার বচন, মিথ্যা হয় না কদাচন।
১৮০
চৈত্রে চালিতা,
বৈশাখে নালিতা,
আষাড়ে………
ভাদ্রে তালের পিঠা।
আর্শ্বিনে ওল,
কার্তিকে কৈয়ের ঝুল।
১৮১
গরু-জরু-ক্ষেত-পুতা
চাষীর বেটার মূল সুতা।
১৮২
চাষে মুলা তার
অর্ধেক তুলা তার
অর্ধেক ধান
বিনা চাষে পান।
১৮৩
চৈত্রে কুয়াশা ভাদ্রে বান।
সেই বর্ষে মরক জান।
১৮৪
শূন্য কলসী শুকনা না, শুকনা ডালে ডাকে কাক।
যদি দেখ মাকুন্দ চোপা, এক পা না যেও বাপ।
১৮৫
চৈতে গিমা তিতা,
বৈশাখে নালিতা মিঠা,
জ্যৈষ্ঠে অমৃতফল আষাঢ়ে খৈ,
শায়নে দৈ।
ভাদরে তালের পিঠা,
আশ্বিনে শশা মিঠা,
কার্তিকে খৈলসার ঝোল,
অগ্রাণে ওল।
পৌষে কাঞ্ছি, মাঘে তেল,
ফাল্গুনে পাকা বেল।
কিছু খনার (ক্ষনার) বচন

এইমাত্র পাওয়া খবর

আপনি কি অনলাইনে ঘরে বসে বিভিন্ন উপায়ে আয় করতে চান?

আপনি কি অনলাইনে ঘরে বসে বিভিন্ন উপায়ে আয় করতে চান?
আপনি কি অনলাইনে ঘরে বসে বিভিন্ন উপায়ে আয় করতে চান?

Dalai Lama জীবনের বিস্ময়কর অজানা তথ্য

Dalai Lama জীবনের বিস্ময়কর অজানা তথ্য
Dalai Lama জীবনের বিস্ময়কর অজানা তথ্য

• আরও সংবাদ বিষয়: